অমিত শাহের কাছে জমা পড়ল 'গোয়েন্দা' রিপোর্ট, বাংলায় বিজেপির হারের কারণ নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য

অমিত শাহের কাছে জমা পড়ল 'গোয়েন্দা' রিপোর্ট, বাংলায় বিজেপির হারের কারণ নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজ্যে (west bengal) প্রচারে এসে অমিত শাহ (amit shah) দাবি করেছিলেন, বিজেপি (bjp) ২০০-র বেশি আসন পাবে। এর কাছাকাছি তো গেরুয়া শিবির পৌঁছতেই পারেনি, ৭৭ টি আসন পেয়ে বিজেপির দৌড় শেষ হয়ে যায়। তারপর থেকেই হারের কারণ অনুসন্ধানে নেমে পড়ে বিজেপি নেতৃত্ব। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এব্যাপারে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে রিপোর্ট জমা পড়েছে। সেই সব কারণ নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে বিজেপির অন্দরমহলে।

প্রশ্ন ভোটের প্রচার কৌশল নিয়ে

প্রশ্ন ভোটের প্রচার কৌশল নিয়ে

ভোটের প্রচার কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে রিপোর্ট। সেখানে নাকি বলা হয়েছে, রাজ্যে কেন্দ্রীয় নেতাদের দাপাদাপিতে গুরুত্ব হারিয়েছেন স্থানীয় নেতারা। নিচুতলার নেতারা বিষয়টিকে অনেক ক্ষেত্রেই মেনে নিতে পারেননি। একদিকে য়েমন নির্বাচনী প্রচারের তহবিল সঠিকভাবে খরচ না করার অভিযোগ উঠেছে, অন্যদিকে বলা হয়েছে সেলিব্রিটিদের হাজির করানো হলে, সেখানে ভিড় হয়েছে। কিন্তু সেই ভিড় ভোটের বাক্স পর্যন্ত পৌঁছয়নি।

 রিপোর্ট দলবদলকারীদের নিয়ে

রিপোর্ট দলবদলকারীদের নিয়ে

বিজেপির রিপোর্টে নাকি দলবদলকারীদের প্রসঙ্গও উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দল বিশেষ করে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়ে অনেকেই বিজেপির প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কিন্তু তাঁদের অনেকেই দুর্নীতিগ্রস্ত বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে জনপ্রিয়তা কম থাকা সেই সব নেতাদের সাধারণ মানুষ মন থেকে মেনে নিতে পারেনি। যার জেরে ক্ষতির মুখে পড়েছে বিজেপি।

বিজেপি নেতাদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন

বিজেপি নেতাদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন

রিপোর্টে বেশ কিছু বিজেপি নেতার আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে বলেই সূত্রের খবর। ভোটের প্রচারে নেতাদের হুমকি অনেকেই ভালভাবে মেনে নিতে পারেননি। বিশেষ করে সংখ্যালঘুরা। ভোট পরবর্তী পরিসংখ্যান অনুযায়ী সংখ্যালঘু ভোটের প্রায় সবটাই তৃণমূল তাদের ঝুলিতে ভরতে সক্ষম হয়েছে।

রিপোর্টে 'জয় শ্রীরাম' স্লোগানের উল্লেখ

রিপোর্টে 'জয় শ্রীরাম' স্লোগানের উল্লেখ

রিপোর্টে জল শ্রীরাম স্লোগানের উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, বাঙালি হিন্দুদের অনেকেই এখনও জয় শ্রীরাম স্লোগানের সঙ্গে পুরোপুরি একাত্ম হতে পারেনি। ধর্মীয় ইস্যুতে বিজেপি বাঙালিয়ানার ধারে কাছে যেতে পারেনি বলেও নাকি মন্তব্য করা হয়েছে। এব্যাপারে অনেকেই বলছেন, বিজেপি বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোকে নিয়ে সেরকম ভাবে মাথা ঘামায়নি কিংবা মাথা ঘামাতে দেখা যায়নি।

 নেতাদের নামেও রিপোর্ট

নেতাদের নামেও রিপোর্ট

রিপোর্টে বেশ কিছু নেতার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে যেমন কোনও কোনও নেতার বিলাসবহুল জীবনযাপনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, ঠিক তেমনই আরএসএস-এর সঙ্গে বিজেপি নেতাদের সংঘাতের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে যেসব নেতার বিলাসবহুল জীবনযাপন নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তাঁদের বেশিরভাগই তৃণমূল থেকে আসা বলেই জানা গিয়েছে।

রিপোর্টে রয়েছে দল ভাঙার আশঙ্কা কথা

রিপোর্টে রয়েছে দল ভাঙার আশঙ্কা কথা

সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই রিপোর্টে দলভাঙার আশঙ্কার কথাও বলা হয়েছে। সেখানে নাকি বলা হয়েছে, বিধায়কদের একটা অংশ দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিতে পারে। এছাড়াও দলে একাধিক ভাগের কথাও নাকি উল্লেখ করা হয়েছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+