সিএএ নিয়ে বঙ্গ বিজেপিকে পথ দেখাবেন অমিত শাহ, নজর শহিদ মিনারের সভায়
দু-দিন আগে ভুবনেশ্বরে পূর্বাঞ্চলীয় আন্তঃরাজ্য বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পরই গর্জে উঠেছিলেন অমিত শাহ। সিএএ-প্রশ্নে মিথ্যেবাদী আখ্যায় বিঁধেছিলেন বিরোধীদের।
দু-দিন আগে ভুবনেশ্বরে পূর্বাঞ্চলীয় আন্তঃরাজ্য বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পরই গর্জে উঠেছিলেন অমিত শাহ। সিএএ-প্রশ্নে মিথ্যেবাদী আখ্যায় বিঁধেছিলেন বিরোধীদের। এবার তিনি মমতার রাজ্যেই আসছেন সিএএ যথার্থতা বোঝাতে। একইসঙ্গে তিনি বঙ্গ বিজেপিকে বার্তা দেবেন আসন্ন পুরসভা নির্বাচনের প্রচারে কোন পথ বেছে নেবে তারা।

নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে আন্দালনে দেশ উত্তাল। দিল্লিতে আগুন জ্বলছে, উত্তর-পূর্ব ভারতও উত্তপ্ত। এরই মধ্যে সিএএ বা নাগরিকত্ব সংশোধন আইন নিয়ে ব্যাখ্যা দেবেন অমিত শাহ। রবিবার দুপুরে শহিদ মিনারের সভায় নাগরিকত্ব সংশোধন আইন ব্যাখ্যা করার কথা তাঁর।
এদিন বেলা ১১টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামবেন। দিনভর ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। তারপর এদিনই তিনি ফিরে যাবেন দিল্লিতে। কলকাতায় নামার পর শহিদ মিনারের সভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি। এরপর সন্ধ্যায় দুটিদলীয় কর্মসূচিতে তাঁর অংশ নেওয়া কথা।
দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষেরও থাকার কথা। এই বৈঠকেই তিনি আসন্ন পুরভোটের দিকনির্দেশনা দিতে পারেন বঙ্গ বিজেপিকে। আর শহিদ মিনারের সভা থেকেও তিনি দল ও রাজ্যের উদ্দেশ্যে বিজেপির অবস্থান ব্যাখ্যা করতে পারেন।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৯-এর ১ অক্টোবর নেতাজি ইন্ডোরে সভা করে গিয়েছিলেন বিজেপির তৎকালীন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। সেই সভায় এনআরসি নিয়ে দলের অবস্থান ব্যাখ্যা করে গিয়েছিলেন। বলেছিলেন, জনগণের কাছে এখনই এনআরসি নিয়ে কিছু প্রচারের দরকার নেই। প্রচার করতে হবে নাগরিকত্ব বিল নিয়ে।
এখন সেই নাগরিকত্ব বিল আইনে পরিণত হয়েছে। আর সেই আইকে কেন্দ্র করেই দেশ উত্তাল হয়ে উঠেছে। খাস রাজধানীর বুকে রক্ত ঝরেছে। ধরেছে প্রাণ। দিল্লির একাংশ শ্মশানপুরীতে পরিণথ হয়েছে। দেশের অন্যত্রও সিএএ নিয়ে আগুন জ্বলছে। বিরোধীরা দিল্লির ঘটনাকে গণহত্যা বলে ব্যাখ্যাও করছে। এই অবস্থায় শাহ শহরে এসে কী যুক্তি দেন, তা নিয়ে কৌতুহলী রাজনৈতিক শিবির।












Click it and Unblock the Notifications