দার্জিলিংয়ে সুপার মার্কেট এলাকায় শক্তিশালী বিস্ফোরণ, তদন্তে সিআইডি
দার্জিলিংয়ের সুপার মার্কেট এলাকা কেঁপে উঠল শক্তিশালী বিস্ফোরণে।
গোর্খাল্যান্ড নিয়ে আন্দোলনের মাঝেই দার্জিলিংয়ের সুপার মার্কেট এলাকা কেঁপে উঠল শক্তিশালী বিস্ফোরণে। শুক্রবার রাত ১২টা ১৫ মিনিট নাগাদ বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও বেশ কিছু দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ২০টি দোকান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সিআইডি টিম এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে। এলাকায় গিয়েছে বম্ব স্কোয়াডও।

দার্জিলিংয়ের পুলিশ সুপার অখিলেশ চতুর্বেদী জানিয়েছেন, রাত ১২টা ১৫ মিনিট নাগাদ দার্জিলিংয়ের পুরনো সুপার মার্কেট টাউন এলাকায় শক্তিশালী বিস্ফোরণ হয়। সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ পাঠানো হয়। বিস্ফোরণের কারণ কী, কারা এই নাশকতার পিছনে রয়েছে তা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান টিনেটিন জাতীয় বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল।
দার্জিলিং শহরের একেবারে কেন্দ্রস্থলে পুরনো সুপার মার্কেট এলাকায় এমন বিস্ফোরণে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মধ্যরাতে হঠাৎ তীব্র বিস্ফোরণের শব্দে জেগে ওঠেন তাঁরা। রাতে হওয়ায় সেভাবে কারও প্রাণহানি হয়নি। তবে দিনের ব্যস্ত সময়ে হলে অনেকের প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল।
বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে সাটার ফুটো হয়ে যায়। কাঁচ ভেঙে পড়ে। যে জায়গায় বিস্ফোরণটি হয়, সেখানে গর্ত হয়ে যায়। শনিবার সকালে সিআইডি-র টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। তারা তদন্ত শুরু করেছে। সঙ্গে রয়েছে বম্ব স্কোয়াডও। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ফরেনসিকও পরীক্ষা করার পর স্পষ্ট হয়ে যাবে কী ধরনের বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে। তবে পুলিশ মনে করছে যে আইইডি দিয়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। যদি তাই হয় তাহলে এটা অনেক বড় আকার নিতে পারে।
কারণ সাধারণত আইইডি-র মতো বিস্ফোরক নাশকতার উদ্দেশে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তাহলে কী আন্দোলনের আড়ালে অন্যকিছু চলছে দার্জিলিংয়ে। এই প্রশ্নও কিন্তু উঠে গেল।












Click it and Unblock the Notifications