দ্বিতীয় বার এখনই ময়নাতদন্ত নয়, আমহার্স্ট স্ট্রিট থানায় মৃত্যুর মামলায় মন্তব্য প্রধান বিচারপতির
আমহার্স্ট স্ট্রিট মামলায় এখনই দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্ত নয়। পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। থানায় এক ব্যক্তিতে জেরার সময় মারধর করে খুনের অভিযোগ উঠেছে। তারই ভিত্তিতে হয়েছে মামলা।
দ্বিতীয় বা তৃতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ তখনই দেওয়া হয়, যখন দেখা যায় দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন আছে। কিন্তু সেটি আগের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়নি। এক্ষেত্রে সেটি নেই। ব্রেন হেমারেজের কারণেই মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। এমনই মন্তব্য প্রধান বিচারপতির।

এখনও পর্যন্ত পুলিশ কোনও অবৈধ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে আমরা মনে করছি না। পরিষ্কার এই কথা জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের তরফ থেকে যথাযথ ভাবে সংরক্ষণ করা হবে। এমনই আশা করছে কলকাতা হাইকোর্ট।
অশোককুমার সিংয়ের দেহ অবিলম্বে এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মৃতের পরিবার মামলায় যুক্ত হওয়ার আবেদন করতে পারেন। এই নির্দেশও আদালতের তরফে দেওয়া হয়েছে।
কে এই মদনলাল গুপ্ত ? প্রশ্ন করেন প্রধান বিচারপতি। এই ব্যক্তি এক রাজনৈতিক দলের কর্মী। সম্ভবত ইনি ওই থানার কোন আধিকারিককে চেনেন। মাসে হাজার হাজার ফোন চুরি হয়। অনেক গরিব মানুষ তা কেনেন। কিন্তু যখনই সেটা চালু করা হয় তখন জানা যায় যে সেটা কার কাছে আছে। অশোক সিংকে থানায় সেটা জমা করতে বলা হয়েছিল। তিনি সম্ভবত নার্ভাস হয়ে গিয়েছিলেন। রাজ্যের তরফে এই কথা জানিয়েছেন আইনজীবী।
পরিবার বিক্ষুব্ধ হতে পারেন। কিন্তু একজন আইনজীবী কেন মামলা করছেন ? আইনজীবী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল ব্যাক্তিগত মামলা করায় প্রশ্ন রাজ্যের। মৃতের পরিবার আজকেই মামলায় যুক্ত হওয়ার আবেদন করবেন। জানালেন প্রিয়ঙ্কা। থানার সর্বত্র সিসিটিভি থাকার কথা। সেটি আছে কী না দেখার দাবি জানানো হয়েছে।
ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে ব্রেন হেমারেজের কারণে মারা গিয়েছেন ওই ব্যক্তি। কিন্তু কেন সেটি হল? সেটি নিশ্চিত করার জন্য সিসিটিভি ফুটেজ দেখা দরকার। সওয়াল করলেন প্রিয়ঙ্কা। আগামী ২৩ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।












Click it and Unblock the Notifications