বিশ্বভারতী বনাম অমর্ত্য সেনের সংঘাত জারি! জমি বিতর্কে এবার আইনি পথে নোবেলজয়ী
বিশ্বভারতী বনাম অমর্ত্য সেনের সংঘাত জারি! জমি বিতর্কে এবার আইনি পথে নোবেলজয়ী
অমর্ত্য সেন এবার আইনি পথে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা জমি ইস্য়ুটি নিষ্পত্তি করার পথে এগিয়ে গেলেন। এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন যে অবৈধ জমি দখল নিয়ে বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী যে অভিযোগ করেন, তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।

সংঘাত তুঙ্গে
প্রসঙ্গ ছিল , বিশ্বভারতী জানিয়েছে শান্তিনিকেতন অমর্ত্য সেনের বাসভবন প্রতীচীর জন্য যদি লিজের বাইরের অতিরিক্ত জমি নিয়ে রাখার তথ্য মেলে তাহলে আইনি পথে হাঁটবে প্রতিষ্ঠান। পাল্টা অমর্ত্য সেন উপাচার্যকে লেখা এক চিঠিতে জানিয়েছেন ,'৮০ বছরের পুরনো দলিলের অপব্যবহারের উদ্দেশ্য হয়রান করা বা তার চেয়েও খারাপ কিছু।'

নোবেলজয়ীর জবাব
অমর্ত্য সেন সাফ জানিয়েছেন, ১৩ ডেসিমেল যে জমি (লিজের বাইরে থাকা অংশ নিয়ে অভিযোগ উঠেছে), তা বিশ্বভারতীর কাছ থেকে নয়, বরং বাজার থেকে তাঁর বাবা অনেকটা জমি কেনেন। তারপর তা বসত জমির সঙ্গে যুক্ত করা হয়। সেই জমির রেজিস্ট্রি সুরুল মৌজায় হয়।

অমর্ত্যর আরও দাবি
অমর্ত্য সেন, আরও লেখেন, তাঁর দাবি, উপাচার্য বলেন, নোবেলজয়ী জুন মাস নাগাদ উপাচার্যকে ফোন করে নিজেরে ভারতরত্ন জয়ী বলে পরিচিতি দেন। পরে যখন জানানো হয় যে তিনি জুন মাসে বিদেশে ছেলেন, তখন উপাচার্যের দফতর চটজলদি বক্তব্য পাল্টে দাবি করেন যে ফোন জুন কিম্বা জুলাইতে আসে।

'অপরাধবোধ' প্রসঙ্গ
অমর্ত্য তাঁর লেখা চিঠিতে বলেন,'নতুন নতুন মিথ্যা সাজিয়ে নিজেদের অপরাধবোধ আর না বাড়িয়ে , বিশ্বভারতীর উচিত আমার আইনজীবী যেমনটি বলেছেন, সেই মতো মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাহার করা। '












Click it and Unblock the Notifications