কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ, পথে মিছিলে মন্ত্রী শশী পাঁজা ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ। আর সেজন্য কলকাতার পথে নামলেন অঙ্গনওয়াড়ি ও আশা কর্মীরা। বুধবার দুপুরে মিছিল করেন তারা। কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে এই মিছিল বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের তরফে দুই মন্ত্রী এই মিছিলের নেতৃত্ব দেন।
রাজ্যের দুই মন্ত্রী শশী পাঁজা ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এদিন মিছিলে পা মেলান। তাঁদের নেতৃত্বেই এই মিছিল হয় বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের অঙ্গনওয়াড়ি ও আশা কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত রয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার তাদের প্রতি উদাসীন। সেজন্যই তারা পথে নামলেন। এমনই জানা গিয়েছে।

ফের কেন্দ্রের বঞ্চনার প্রতিবাদে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেস। বিড়লা তারামণ্ডলেরও সামনে থেকে এই প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিল সামিল ছিলেন মন্ত্রী শশী পাঁজা, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সহ মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব সহ মহিলা কর্মী সমর্থকরা। একশো দিনের কাজ থেকে আবাস যোজনার টাকা বকেয়া।
এছাড়াও কেন্দ্রের বঞ্চনার ফলে অঙ্গনওয়াডি থেকে নিয়ে আশাকর্মীরা সমস্যায় পড়েছেন। কেন্দ্রের বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন তারা। রাজ্য সরকার তাদের অংশের টাকা দিচ্ছে। সেই কারণে আশা কর্মী ও অঙ্গণওয়ারি কর্মীরা কাজ করতে পারছেন। এমনই দাবি করা হচ্ছে।
কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের মানুষের চাহিদা থেকে নজর ঘোরাচ্ছে। ধর্মের রাজনীতি করতে বিজেপি সরকার ব্যস্ত। এমনই অভিযোগ করলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সহ শশী পাঁজা। এরপর আশা কর্মী ও অঙ্গণওয়ারি কর্মীদের যোগ্যতার মাপকাঠি ১২ ক্লাস পাশ বলে জানা গিয়েছে। সেই বিষয়ে ক্ষোভ দেখা গিয়েছে।
এক থেকে ছয় বছরের শিশুদের তারা দেখাশোনা করেন। কিন্তু তারাই এখন কেন্দ্রীয় বঞ্চনার শিকার। কেন্দ্রের টাকা আসছে না। এই নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দুই মন্ত্রী। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও এইসব বিষয়ে কোনও প্রতিবাদ করেন না। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হন না। সেই বক্তব্যও শোনা গিয়েছে মন্ত্রীদের কথায়।
তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংহতি মিছিলের ডাক দিয়েছেন। সেই মিছিলের দিন বদলের আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যে ওই দিন আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে। এই আশঙ্কা করেছেন শুভেন্দু। তাই নিয়েও কটাক্ষ করেছেন দুই মন্ত্রী। সংহতি মিছিল নাম দেওয়া যেতেই পারে। তাতে কেন সমস্যা? প্রশ্ন উঠেছে।
রামমন্দির উদ্বোধনের দিন রাজ্যের কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী৷ তাই নিয়েও কটাক্ষ করেছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। কারা আইনশৃঙ্খলা ভাঙতে পারেন? কেন আশঙ্কা করা হচ্ছে? সেই প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
গঙ্গাসাগর মেলাকে কেন্দ্রীয় সরকার এবারও জাতীয় মেলার স্বীকৃতি দিল না। গঙ্গাসাগর মেলার জন্য কোনও আর্থিক সাহায্য করা হয় না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে এই মেলার অনেক উন্নতি হয়েছে। তারপরেও কেন্দ্রের বঞ্চনা। এই বিষয়ে সরব হলেন মন্ত্রী শশী পাঁজা।












Click it and Unblock the Notifications