রাজ্যপালের ভাষণ নিয়ে কী আতঙ্কিত তৃণমূল! সমস্ত বিধায়ককে উপস্থিত থাকতে বলে হুইপ জারি শাসকদলের
একটা সময়ে এই ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল দেশের রাজনীতি। যদিও তা এখন ঠান্ডা ঘরে। কিন্তু জৈন হাওয়ালা-কাণ্ড নিয়ে নতুন করে বিতর্ক। এই কেলেঙ্কারিতে নাকি জড়িত বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। পাল্টা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাজ্যপাল।
একটা সময়ে এই ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল দেশের রাজনীতি। যদিও তা এখন ঠান্ডা ঘরে। কিন্তু জৈন হাওয়ালা-কাণ্ড নিয়ে নতুন করে বিতর্ক। এই কেলেঙ্কারিতে নাকি জড়িত বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। পাল্টা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাজ্যপাল। পাল্টা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন তিনি।
তাঁর দাবি, আমি নয়, তৃণমূলের অজিত পাঁজা, যশবন্ত সিনহা এই মামলাতে জড়িত। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে নবান্ন-রাজভবন সংঘাত তৈরি হয়েছে। আর এই সংঘাতের আবহেই বিধানসভায় ভাষণ দেবেন রাজ্যপাল!

সব বিধায়ককে অধিবেশন কক্ষে হাজির থাকার নির্দেশ
বিপুল ভোটে জয় পাওয়ার পর এই প্রথম রাজ্য অধিবেশন বসছে। বাজেট অধিবেশন। আগামীকাল শুক্রবার এই অধিবেশন শুরু হচ্ছে। রাজ্যপালের ভাষণ দিয়ে এই অধিবেশন শুরু হচ্ছে। ইতিমধ্যে সরকারের খড়সা নিয়ে আপত্তি তুলেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এই অবস্থায় কি বলবেন তা নিয়ে কি আতঙ্কিত তৃণমূল? সমস্ত বিধায়কদের অধিবেশন কক্ষে হাজির থাকার নির্দেশ তৃণমূল পরিষদীয় দলের। রাজ্যপালের ভাষণ চলাকালীন যেন সমস্ত বিধায়ক কক্ষে থাকেন সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

১টা ৫৫ মিনিট নাগাদ বিধানসভায় পৌঁছবেন ধনখড়
জানা গিয়েছে, ঠিক দুপুর ২টোর সময় ভাষণ দেবেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তার পাঁচ মিনিট আগেই বিধানসভায় পৌঁছবেন তিনি। জানা গিয়েছে, রীতি মোতাবেক বিধানসভার গাড়ি বারান্দা থেকে স্পিকার অধিবেশন কক্ষে নিয়ে যাবেন রাজ্যপালকে। এর পরে ভাষণ দেবেন তিনি। আর এখানেই আতঙ্কে তৃণমূল সরকার। ভাষনে তিনি কি বলবেন সেটা একটা ইস্যু হয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই। এমনকি এই ভাষণকে কেন্দ্র করে রাজভবন-নবান্ন সংঘাত অন্য মোড় নিতে পারে বলেও আতঙ্কিত রাজনৈতিকমহলের কারবারীরা।

সরকারের দেওয়ার খসড়াতে আপত্তি রাজ্যপালের!
রীতি অনুযায়ী সরকারের লিখে দেওয়া খসড়া পড়াটা রীতি রাজ্যপালের। কিন্তু গত কয়েকদিন আগেই এই বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তাঁর দাবি, সরকারের লিখে দেওয়া খসড়ার সঙ্গে কোনও মিল নেই বাস্তবের। তাঁর চোখে দেখা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। আর এই বিষয়টি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ফোনালাপও হয়। পাল্টা মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে জানিয়ে দেয় যে, মন্ত্রিসভার অনুমোদন নিয়েই এই খড়সা তৈরি করা হয়েছে। পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। এই অবস্থায় রাজ্যপাল যে ওই খসড়া পরিবর্তন করবে তা একপ্রকার নিশ্চিত শাসকদল। কিন্তু কি বলবেন আর কি লিখবেন তা নিয়ে এখন চিন্তা রয়েই যাচ্ছে। এমন কিছু রাজ্যপাল বললে যাতে সবাই মিলে প্রতিবাদ জানানো যায় সেদিকেই নজর রেখেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications