Junior Doctors' Hunger Strike: তীব্র হচ্ছে 'প্রতিবাদের উৎসব', পঞ্চমীতে রাজ্যজুড়ে প্রতীকী অনশনের ডাক চিকিৎসকদের
Junior Doctors' Hunger Strike: ৪১ ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে! এখনও রাজ্য সরকারের তরফে কোনও বার্তা দেওয়া হয়নি। এই অবস্থায় আন্দোলন আরও তীব্র করছে জুনিয়র চিকিৎসকরা। সেই মতো আগামীকাল মঙ্গলবার রাজ্যের সব মেডিক্যাল কলেজে প্রতীকী অনশনের ডাক দেওয়া হয়েছে। যেখানে জুনিয়র চিকিৎসকরা নন, সিনিয়র ডাক্তার, স্বাস্থ্য কর্মী সহ সবাই যোগ দেবেন বলে জানালেন আন্দোলনের অন্যতম মুখ দেবাশিস হালদার।
সকাল ৯ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত এই প্রতীকী অনশন চলবে বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ফের আগামীকাল পঞ্চমীর দিন মহা মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে চিকিৎসকদের তরফে। কলেজ স্কোয়ার থেকে শুরু হবে সেই মিছিল হবে। যেখানে সমস্ত সংগঠন, সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে (Junior Doctors' Hunger Strike)।

অন্যদিকে কলকাতার পাশাপাশি আন্দোলন অন্যান্য মেডিক্যাল কলেজেও আন্দোলন (Junior Doctors' Hunger Strike) ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দেবাশিস জানিয়েছেন, অভয়ার বিচার সহ ১০ দফা দাবিতে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজের নয় জন চিকিৎসক অনশনে বসেছেন।
পাশাপাশি এদিন কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মাকেও জবাব দেন আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিতকরা। বলেন, আমারা দেখেছি উনি বলেছেন আইন মেনে পদক্ষেপ করবেন। কি পদক্ষেপ নেওয়া হয় তা আমরাও দেখতে চাই বলে কার্যত হুঁশিয়ারি চিকিৎসকদের। দেবাশিস হালদার জানান, ৪১ ঘন্টা পেরিয়ে গিয়েছে। কোনও যোগাযোগ করা হয়নি প্রশাসনের তরফে।
রাজ্য সরকার কি চায় তা তাঁরাই জানেন। তবে অনশনে শরীর দুর্বল হয়ে পড়লেও মনের জোর অটুট আছে বলে জানান দেবাশিস। এমনকি এই আন্দোলনের শেষ দেখে তারা ছাড়বেন বলেও হুঁশিয়ারি।
বলে রাখা প্রয়োজন, ধর্মতলা চত্বরে ১৬৩ ধারা জারি করেছে কলকাতা পুলিশ। সেই মতো কোনও ধরনের জমায়েত করা যায় না। কার্যত তা অগ্রাহ্য করেই মেট্রো চ্যানেলের সামনে অবস্থানে বসেও রয়েছেন চিকিৎসকরা। লাগাতার অনশন চালাচ্ছেন। এর মধ্যেই বড় মন্তব্য কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মার। বলেন, আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর এহেন মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টা বার্তা জুনিয়রদের।
অন্যদিকে উৎসবের মরশুমে চিকিৎসকদের আন্দোলন নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। উতবস বন্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ। এই প্রসঙ্গে আন্দোলনকারীদের দাবি, আন্দোলনকে কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে। আমরা বলতে পারিনা কেউ উৎসবে যোগ দেবেন না। তবে এটাই আমাদের কাছে প্রতিবাদের উৎসবের বলে মন্তব্য জুনিয়র ডক্টর ফ্রন্টের তরফে মন্তব্য করেন দেবাশিস হালদার।












Click it and Unblock the Notifications