দালালচক্র রুখতে স্বাস্থকর্মীদের ইউনিফর্ম বালুরঘাটের হাসপাতালে
দালালচক্র রুখতে এবং রোগীরা হয়রানি যাতে না হয়। এই সমস্যার কথা ভেবে এবার অভিনব উদ্যোগ নিল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট ব্লকের খাসপুর গ্রামীণ হাসপাতাল।
দালালচক্র রুখতে এবং রোগীরা হয়রানি যাতে না হয়। এই সমস্যার কথা ভেবে এবার অভিনব উদ্যোগ নিল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট ব্লকের খাসপুর গ্রামীণ হাসপাতাল। হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মীদের সহজেই রুগীর পরিবারের লোকেরা চিনতে পারবে তার জন্য কোনো দালাল ধরতে হবেনা। এবার থেকে খাসপুর গ্রামীণ হাসপাতাল' নির্দিষ্ট টি-শার্ট লেখা স্বাস্থ্য কর্মীদের নাম।

আপাতত পরীক্ষামূলক ভাবে এই পোশাক ২২ জন কর্মীকে দেওয়া হয়েছে। সফল হলে আগামী দিনে প্রত্যেক হাসপাতাল কর্মীদের এই পোশাক দেওয়া হবে বলে জানান বালুরঘাটের ব্লক মেডিকেল অফিসার অর্পণ সরকার। বড় বড় হাসপাতাল বা মেডিকেল কলেজ গুলোতে এক প্রকার দালালচক্র সক্রিয় থাকার অভিযোগ ওঠে।
এর ফলে রোগী বা পরিজনদের হয়রানির শিকার হতে হয়। কখনও কখনও রোগীর পরিজনরা দালালচক্রের খপ্পরে পরে নিজেদের সর্বস্ব খুইয়ে ফেলেন তারা। এর প্রধান কারণ হল হাসপাতাল কর্মী বা স্বাস্থ্যকর্মীদের চিনতে না পারা। তাই রোগীর পরিবারের সুবিধার্থে অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট ব্লকের খাসপুর গ্রামীণ হাসপাতাল। সম্ভবত উত্তরবঙ্গের মধ্যে এই প্রথম কোনও হাসপাতালে স্বাস্থ্য কর্মীদের শনাক্তকরণের জন্য দেওয়া হল পোশাক। হাসপাতালে স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য দেওয়া হয়েছে সাদা রঙের পোশাক। যার পেছনে লেখা রয়েছে 'খাসপুর গ্রামীণ হাসপাতাল'।
আপাতত পরীক্ষামূলক ভাবে সপ্তাহে একদিন শনিবার এই পোশাক পরবেন হাসপাতালের অফিস কর্মীরা। সফল হলে আগামী দিনে হাসপাতালের সকল কর্মীদের এই পোশাক দেওয়া হবে। পাশাপাশি সপ্তাহে সাত দিনই এই পোশাক পরে কাজ করবেন স্বাস্থ্যকর্মীরা৷
হাসপাতালের এমন অভিনব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন রোগী ও তাদের পরিজনরা। এবিষয়ে খাসপুর হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসা রোগীর আত্মীয় বিকাশ হালদার বলেন, হাসপাতালে কর্মীদের নির্দিষ্ট পোশাক থাকায় সুবিধা হয়েছে তাঁদের খুব সহজেই হাসপাতালের কর্মীকে তাঁরা চিনতে পারছেন। নিজেদের সমস্যার কথা তাঁদের জানাতে পারছেন।
পাশাপাশি হাসপাতালে যে দালালচক্র কাজ করে তাদের নজরে না পরে। অন্যদিকে বালুরঘাট ব্লক মেডিকেল অফিসার স্বাস্থ্য আধিকারিক অর্পণ সরকার বলেন, "আপাতত পরীক্ষামুলকভাবে সপ্তাহে একদিন শনিবার করে এই পোশাক পরানো হয়। উদ্দেশ্য একটাই, যাতে রোগী ও রোগীর পরিজনদের হয়রানি কমে। পরীক্ষামূলক এই কাজে সফলতা পেলে আগামী দিনে সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের এই পোশাক দেওয়া হবে। এমন কী সপ্তাহে সাত দিনই এই পোশাক পরে তারা কাজ করবেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।












Click it and Unblock the Notifications