মন্ত্রিত্ব ছাড়ছেন, কিন্তু ক্ষমা চাইবেন না অখিল গিরি, সাংবাদিকদের সামনে কী বললেন তিনি?
তিনি ক্ষমা চাইবেন না। ক্ষমা চাওয়ার কোনও প্রশ্নই আসে না। রবিবার দুপুরে এই কথা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন অখিল গিরি। তবে তিনি জানিয়েছেন নেত্রীর নির্দেশে কারামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন।
বন দফতরের আধিকারিককে কড়া ভাষায় হুমকি দিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা ও মন্ত্রী অখিল গিরি। তাঁর বক্তব্য নিয়ে রাজ্যের রাজনীতিতে সমালোচনার ঝড় ওঠে। মহিলা রেঞ্জারের কাছে অখিল গিরিকে ক্ষমা চাইতে বলা হয়। কিন্তু ক্ষমার ধারপাশ দিয়ে যেতে চাইলেন না পূর্ব মেদিনীপুরের এই তৃণমূল নেতা।

শনিবার প্রকাশ্যে রেঞ্জ অফিসার মনীষা সাউকে কুকথা বলেছিলেন অখিল গিরি। " বদমায়েশ, জানোয়ার এমন রেঞ্জার আগে দেখিনি। আপনার আয়ু আর সাত, আট, দশ দিন। এক সপ্তাহে কী হয় দেখুন। যেমন ঠাকুর তেমন পুজো। এমন ডাং দিয়ে মারবো, বুঝতে পারবেন।" চরম আক্রমণাত্মক মন্তব্য অখিল গিরি মহিলা রেঞ্জ অফিসারকে করেছিলেন।
দলের পক্ষ থেকে অখিল গিরিকে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। কিন্তু তিনি ক্ষমা চাইবেন না। এই কথা জানিয়ে দিলেন অখিল গিরি৷ তিনি তার রাজনৈতিক জীবনে কোনও দিন সরকারি আধিকারিকের কাছে ক্ষমা চাননি। এখনও তিনি ক্ষমা চাইবেন না। জানিয়ে দিলেন তৃণমূলের বিতর্কিত এই নেতা, মন্ত্রী। পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, " আমি এতে কোনও অনুতপ্ত নই।"
ফরেস্ট অফিসারকে উত্তেজনার বশে যে সব কথা অখিল গিরি বলেছেন, সেজন্য তিনি অনুতপ্ত। তবে বন দফতরের বিরুদ্ধে অখিল গিরি মুখ খুলেছেন। ২২ টি দোকান ভেঙে দিয়েছে বন দফতর। রাতের অন্ধকারে দোকানগুলির কাঠ করাত দিয়ে কেটে ফেলা হয়েছে। সাধারণ মানুষ, ওই পরিবারগুলি কীভাবে অর্থ সংস্থান করবে? কোথায় যাবে? প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
ওই মানুষগুলোর সঙ্গে মানবিকতার খাতিরেই অখিল গিরি রয়েছেন। রামনগরের বিধায়ক তিনি। সাধারণ মানুষের সঙ্গেই তাদের উন্নতির লক্ষ্যে কাজ করবেন অখিল গিরি। বন দফতরের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। টাকা দিয়ে বন দফতর ওই দোকানগুলি সেখানে বসিয়েছিল। এমন কথা এলাকার সাধারণ মানুষজন বলছেন।
এমনই দাবী করেছে মন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications