প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই 'বিস্ফোরক' পোস্ট তৃণমূল বিধায়কের! স্ট্যাটাস ঘিরে জল্পনা
সবকিছু ঠিক থাকলে শুক্রবারই প্রার্থী ঘোষণা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৯৪টি বিধানসভা আসনেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবেন নেত্রী। কে প্রার্থী হচ্ছেন আর কার নাম বাদ পড়তে চলেছে সে বিষয়ে কোনও ধারনাই নেই তৃণমূল নেতাদের।
সবকিছু ঠিক থাকলে শুক্রবারই প্রার্থী ঘোষণা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৯৪টি বিধানসভা আসনেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবেন নেত্রী। কে প্রার্থী হচ্ছেন আর কার নাম বাদ পড়তে চলেছে সে বিষয়ে কোনও ধারনাই নেই তৃণমূল নেতাদের।
কারণ গত কয়েকমাস ধরে একাধিক আসনকে বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত করা হয়েছে প্রার্থী তালিকা। নাম থাকা না থাকা নিয়ে এখন টেনশনে তৃণমূলের অনেকেই। আর এর মধ্যেই বিস্ফোরক ফেসবুক পোস্ট তৃণমূল বিধায়কের। আর তাঁর পোস্ট ঘিরেই সরগরম রাজ্য-রাজনীতি।

ভোটে না-দাঁড়ানোর ইচ্ছে প্রকাশ
হঠাৎ করেই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফেসবুক পোস্ট করেন ওই তৃণমূল বিধায়ক। সেখানে ভোটে না-দাঁড়ানোর ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন বিধানসভায় তৃণমূলের উপ-মূখ্যসচেতক সমীর চক্রবর্তী। আর তাঁর এহেন পোস্ট ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা। তিনি এবার আর প্রার্থী হচ্ছেন না জেনেই কি তাঁর এই পোস্ট? তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। এদিন তৃণমূল এই বিধায়ক নিজের ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ''আমি দলনেত্রীকে জানিয়েছি, দলের হয়ে প্রচার করব, প্রার্থী হতে চাই না।''

ভাগ করে নেওয়া উচিত দায়িত্ব
ওয়ান ইন্ডিয়ার তরফে এই বিষয়ে বারবার ফোন করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তবে বাংলা এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সমীর চক্রবর্তী জানিয়েছেন, ২৯৪টি আসনে তিনিই নিজেকে প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রচারের জন্যে ছুটে যাচ্ছেন এই জায়গা থেকে অন্য জায়গায়। অভিষেকও প্রচার করছেন। সবাই প্রার্থী হলে প্রচার করবে কে? যেখানে গোটা ভারত থেকে বিজেপি তাবড় তাবড় নেতাদের সামনে এনে বাংলায় প্রচার করছে সেখানে প্রার্থী নয়, বরং প্রচার করার লোক প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

তৃণমূলের সবথেকে ধনী প্রার্থী ছিলেন তিনি
তৃণমূল কংগ্রেসে ২০১২ সালে যোগ দেন। এরপর টিকিট পান ২০১৬ সালে। বাকুঁড়ার তালড্যাংরা আসন থেকে সিপিএমের জেলা সম্পাদক অমিয় পাত্রকে হারিয়ে প্রথম বারের জন্য বিধায়ক হন তিনি। ২০১৬ সালে কমিশনের কাছে যে হলফনামা জমা দিয়েছিলেন সমীর চক্রবর্তী তাতে সেই সময়কার সবথেকে ধণী প্রার্থী ছিলেন তিনি। স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৪০ কোটি টাকা। তবে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছের মানুষদের মধ্যে একজন হয়ে ওঠেন তিনি। ভরসা করে দল। কিন্তু হঠাৎ কেন এমন ফেসবুক পোস্ট তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। গত লোকসভার ফলাফলের নিরিখে বিধায়কের খাস তালুকে এগিয়ে বিজেপি। সেটাই কি কারন? নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও সংঘাত?












Click it and Unblock the Notifications