বড় ধাক্কা মুকুল-দিলীপদের! সাতদিনের মধ্যেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতে চান রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী
প্রার্থী ঘোষণার পরেই বিদ্রোহ শুরু হয় তৃণমূলে। এরপরেই একের পর এক তৃণমূলের বিদায়ী বিধায়ক কার্যত লাইন লাগান মুকুল রায়ের বাড়িতে।
প্রার্থী ঘোষণার পরেই বিদ্রোহ শুরু হয় তৃণমূলে। এরপরেই একের পর এক তৃণমূলের বিদায়ী বিধায়ক কার্যত লাইন লাগান মুকুল রায়ের বাড়িতে।
সোনালি গুহ থেকে একাধিক বিধায়ক বিজেপিতে যোগদানের ইচ্ছাপ্রকাশ করেন। যদিও পরে দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়ের হাত ধরে বিজেপিতে যোগও দেন। সেই তালিকাতে ছিলেন জেলার তপন বিধানসভার বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী বাচ্চু হাঁসদা! মুকুল রায়ের হাতে ধরে যোগ দেন বিজেপিতে। কিন্তু মাত্র সাতদিনের মোহভঙ্গ!

তৃণমূল প্রার্থী না করায় মুকুলের সঙ্গে দেখা করেন বাচ্চু
এবার বাচ্চু হাঁসদাকে প্রার্থী করেনি শাসকদল তৃণমূল। এরপরেই মুকুল রায়ের সঙ্গে দেখাঁ করেন বাচ্চু। কিন্তু সেই সময় তিনি জানান, বিজেপিতে যোগদান নয়, মুকুল রায়ের সঙ্গে দেখা করতেই তিনি নাকি গিয়েছিলেন। কিন্তু এরপর দেখা যায় মুকুল রায়ে হাত ধরেই বিজেপিতে যোগ দিলেন তিনি। কিন্তু সাতদিনের মধ্যেই হলটা কি ফের বিজেপিতে ছাড়তে চান তিনি।

সাতদিনের মোহভঙ্গ!
মাত্র সাতদিনেই মোহভঙ্গ! বিজেপি ছেড়ে ফের তৃণমূলে যোগ দিতে চান দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন বিধানসভার বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী বাচ্চু হাঁসদা। যদিও তাঁকে তৃণমূলে ফেরানো নিয়ে কোনও সবুজ সঙ্কেত এখনও পাওয়া যায়নি বলেই তৃণমূল সূত্রের খবর। যদিও রাজ্যের প্রাক্তন এই মন্ত্রীর দাবি, ইতিমধ্যে আমার সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে তৃণমূলের। রাজ্য ও জেলাস্তরের তৃণমূল নেতারা আমাকে পুনরায় দলে ফিরে যাওয়ার কথা বলেছিলেন। সবদিক বিবেচনা করে আমি তৃণমূলে ফেরার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছি। এনিয়ে আলোচনা চলছে। তবে ইচ্ছাপ্রকাশ করলেই আমাকে তৃণমূলে ফিরিয়ে নেবে তার কোনও মানে নেই। তবে আমি প্রস্তুত রয়েছি তৃণমূলে ফেরার জন্য।

কিন্তু কেন বিজেপি ছাড়তে চান বাচ্চু
গত ১০ মার্চ কলকাতায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের হাত থেকে পতাকা নিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। কিন্তু কলকাতা থেকে জেলায় ফিরে কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েন তিনি। বিজেপির কোনও কর্মসূচিতেই দেখা যায়নি তাঁকে। এমনকি বিজেপির কোনও স্থানীয় নেতা-কর্মীও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেনি বলে অভিযোগ প্রাক্তন মন্ত্রী বাচ্চু হাঁসদার। তাঁর দাবি, বিজেপিতে যোগদানের পর আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেননি তাঁদের জেলার কোনও নেতা বা কর্মী। আমাকে কাজে নামানোর ব্যপারেও কেউ কিচ্ছু জানায়নি। ক'দিন ধরেই বিষয়টি নিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। তাঁর মনে হয়, বিজেপিতে তাঁকে কোনও কাজে লাগানো সম্ভব নয়। আর সেই কারনেই ফের তৃণমূলে ফেরার চেষ্টা তাঁর।

তৃণমূলে থাকতে বলা হয় তাঁকে
তৃণমূলের টিকিটে গত ২০১১ এবং ২০১৬ সালে তপন বিধানসভা থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন বাচ্চু হাঁসদা। তিনি উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বও সামলেছেন। কিন্তু এবার তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়েন তিনি। এরপরেই মুকুলের সঙ্গে দেখা করেন বাচ্চু হাঁসদা। যদিও যাতে তিনি বিজেপিতে না যান সেজন্যে নিজে বাচ্চুর বাড়ি যান অর্পিতা ঘোষ। কথা বলেন। বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতে কোনই কাজ হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications