হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রামে ভোট গণনাতেও সতর্ক কমিশন, দ্রুত গ্রামে যাচ্ছেন ১০০ জন কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ান
হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রাম। দ্বিতীয় ধাপেই সেখানে ভোট শেষ হয়। এরপর যদিও টানা একমাস ভোট পর্ব চলেছে বাংলায়। সমস্ত রেকর্ড ছাড়িয়ে বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। কিন্তু এরপরেও রক্তাত্ব ভোট দেখেছে বাংলা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গ
হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রাম। দ্বিতীয় ধাপেই সেখানে ভোট শেষ হয়। এরপর যদিও টানা একমাস ভোট পর্ব চলেছে বাংলায়। সমস্ত রেকর্ড ছাড়িয়ে বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। কিন্তু এরপরেও রক্তাত্ব ভোট দেখেছে বাংলা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয়েছে চারজনের। যা নিয়ে এখনও আলোচনা তুঙ্গে। এই অবস্থায় সামনেই ভোটের গণনা।
আগামী ২ মে ভোটের রেজাল্ট আউট। ২৯১টি বিধানসভাতে ভোট গণনা হবে। কিন্তু গোটা দেশের নজর থাকবে এই নন্দীগ্রামের দিকেই। আর তাই বাড়তি নজর দিতে চাইছে কমিশনও।

১০০ জওয়ান পাঠাচ্ছে কমিশন
সামনেই ভোট গণনা। নন্দীগ্রামে শেষ হাসি কে হাসবে? তৃণমূল নেত্রী নাকি শুভেন্দু অধিকারী। সেদিকে নজর থাকবে দেশের মানুষের। যদিও দুজনেরই অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর আত্মবিশ্বাস নন্দীগ্রামে তারাই জিতছেন। ভোট গ্রহনের মতোই ভোট গণনাতেও নন্দীগ্রামে কড়া ব্যবস্থা রাখছে কমিশন। জানা যাচ্ছে, স্পর্শকাতর, অতি স্পর্শকাতর এই জোনে ভাগ করা হচ্ছে নন্দীগ্রামকে। সেই মতো পুলিশ পিকেটিং করা হবে। মোতায়েন হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। গণনার আগেই নন্দীগ্রামে পৌঁছে যাচ্ছে এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই বাহিনী গণনার দিন এবং ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস ঠেকাতে মোতায়েন করা হবে।

সতর্ক কমিশন
নন্দীগ্রাম নিয়ে প্রথম দিন থেকেই সতর্ক ছিল নির্বাচন কমিশন। ভোটের দিন গোটা নন্দীগ্রামে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। সিল করে দেওয়া হয় এলাকা। ঘাটে নৌকা পারাপার বন্ধ করে দেওয়া থেকে শুরু করে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। জানা যাচ্ছে, গণনার দিনও একগুচ্ছ ব্যবস্থা নিচ্ছে কমিশন। সেদিনও সম্ভবত নন্দীগ্রাম সিল করে দেওয়া হতে পারে। যে কোনও ধরনের অপ্রতিকর ঘটনা এড়াতে হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রামে সতর্ক নির্বাচন কমিশন। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের তরফেও জানানো হয়েছে যে, অশান্তি এড়াতে একটা রেইকি করে রাখা হয়েছে। কোথায় কোথায় পুলিশ পিকেট করা হবে। বাহিনী কোথায় মোতায়েন করা হবে সে বিষয় আলোচনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক পুলিশ আধিকারিক।

বিজয় মিছিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা
২৬ এপ্রিল মাদ্রাজ হাইকোর্টের তরফে ভারতের নির্বাচন কমিশনের প্রতি তীব্র ভর্ৎসনা উঠে আসে। ভোটের জেরে করোনা পরিস্থিতি আরও গুরু গম্ভীর হলে ভোট গণনা স্থগিত করার বার্তাও আসে আদালতের তরফে। এরপর রাত পোহাতেই নির্বাচন কমিশন ২ রা মে ভোট গণনার দিন বিজয় মিছিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল।

নির্দেশে কী জানানো হয়েছে?
প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশন যে নির্দেশ দিয়েছে,তাতে বলা হয়েছে, তামিলনাড়ু, কেরল, পশ্চিমবঙ্গ, পুদুচেরি, অসমে ভোটের গণনা রয়েছে ২ রা মে। তবে করোনা পরিস্থিতির জেরে সেই দিন কোনও রকমের বিজয় মিছিল করা যাবে না।












Click it and Unblock the Notifications