প্রশ্নের মুখে জোট ভবিষ্যৎ! শেষ চেষ্টা চালাতে বিধানভবনে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের ম্যানেজাররা
ইতিমধ্যে ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হয়ে গিয়েছে। আর ভোটের দিন ঘোষণা হতেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করার তোড়জোড় ডান-বাম সমস্ত দলেই। চলছে বৈঠক, প্রস্তুতি। অন্যদিকে রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনে ব্রিগেডে একত্রিত হয় বাম-কংগ্রেস, ছিলেন আ
ইতিমধ্যে ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হয়ে গিয়েছে। আর ভোটের দিন ঘোষণা হতেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করার তোড়জোড় ডান-বাম সমস্ত দলেই। চলছে বৈঠক, প্রস্তুতি। অন্যদিকে রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনে ব্রিগেডে একত্রিত হয় বাম-কংগ্রেস, ছিলেন আব্বাস সিদ্দিকিও।
কিন্তু, সেই ঐক্যের মধ্যে স্পষ্ট ছিল মতানৈক্য! বামেদের সঙ্গে সমঝোতা হলেও কংগ্রেসের সঙ্গে এখনও আসন রফা হয়নি। এরই মধ্যে আব্বাসকে নিয়ে নয়া জটিলতা! শেষমেশ মহাজোট সম্ভব কিনা তা নিয়ে অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

বৈঠকে বাম ও কংগ্রেস নেতৃত্ব
হাতে আর সময় নেই, আর তাই এক মুহূর্ত দেরি করতে রাজি নন আলিমুদ্দিনের ম্যানেজাররা। সোমবার দুপুরে বিধানভবন যান বিমান বসুরা। জানা গিয়েছে, বাম ও কংগ্রেস নেতৃত্বের মধ্যে এই বৈঠক ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। কিন্তু সেই বৈঠকে নেই আব্বাস সিদ্দিকি বা তাঁর দল আইএসএফের কোনও প্রতিনিধি। জোট নিয়ে কথা অনেক দিন ধরে হলেও আসন নিয়ে সমস্যা জারি রয়েছে। বামেদের সঙ্গে আসন রফা হলেও প্রথম থেকেই আব্বাসদের দাবি মতো আসন ছাড়তে রাজি নয় কংগ্রেস। সেই সমস্যা জারি আছে এখনও। ব্রিগেডেও সেই ছবিটা সামনে এসেছে।

আমি এখানে ভাগীদারি করতে এসেছি
আইএসএফ প্রধান আব্বাস সিদ্দিকি ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই কার্যত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীকে বার্তা দিয়ে বলেন, "আমি এখানে ভাগীদারি করতে এসেছি। ভিক্ষা করতে আসিনি।" শুধু তাই নয়, ব্রিগেডে আসন সমঝোতা নিয়ে কথা বলার সময়ও কংগ্রেসের নাম উহ্য রাখতে দেখা যায় আব্বাসকে। তিনি বলেন, ''যেখানেই বাম-শরিকরা প্রার্থী দেবেন, রক্ত দিয়ে তাঁদের জেতাব আমরা। বিজেপি এবং তাদের 'বি' টিম মমতাকে উৎখাত করব আমরা। এ বারের ভোটে মমতাকে শূন্য করে ছাড়ব।'' এই অবস্থায় দ্রুত প্রয়োজন আসন সমঝোতা।

সোমবার বিধান ভবনে শুরু হয়েছে বৈঠক
সোমবার বিধান ভবনে শুরু হয়েছে বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র, বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম। কংগ্রেসের তরফে রয়েছেন অধীর চৌধুরী, প্রদীপ বসু। কুনিতু উল্লেখযোগ্যভাবে সেই বৈঠকে নেই আব্দুল মান্নান। দলের দাবি, শারীরিক অসুস্থতার কারণেই বৈঠকে হাজির হননি তিনি। তবে সূত্রের খবর, আসন রফা নিয়ে অধীর চৌধুরীর সঙ্গে মতবিরোধ রযেছে তাঁর। সম্ভবত সেই কারণেই আসেননি তিনি।

অধীরের সাফ কথা
ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে নেমে কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের জন্য দুদিন সময় দিয়েছিলেন আব্বাস সিদ্দিকি। যা নিয়ে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন অধীর চৌধুরী। তিনি বলেছেন, মালদহ, মুর্শিদাবাদে জেলা কংগ্রেসের। ন্য জেলা থেকে হলেও, এই দুই জেলা থেকে আব্বাস সিদ্দিকির দলকে কোনও আসন ছাড়া হবে না বলে সাফ জানিয়েছেন অধীর চৌধুরী। অধীর চৌধুরীর এই মন্তব্যের পরে রাজ্যে বাম-কংগ্রেস-আব্বাসের জোটের ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন দেখা দিয়েছে। যদিও শেষ চেষ্টা চালাতে ফের একবার বিধানভবনে পৌঁছে গেলেন আলিমুদ্দিনের ম্যানেজাররা।












Click it and Unblock the Notifications