এজেন্সির ‘মানহানির চেষ্টা', প্রধান বিচারপতির সামনে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর
জলপাইগুড়িতে আদালত অবকাঠামোর এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল। কলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী ভবনের উদ্বোধনী মঞ্চে উপস্থিত সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বিচারমহলের দুঁদে ব্যক্তিত্বরা। কিন্তু অনুষ্ঠানিক আবহেই উঠে এল রাজনৈতিক অভিযোগের ঝড়।
নাম না করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। জনসমক্ষে, প্রধান বিচারপতির সামনেই অভিযোগ, "কিছু এজেন্সি পরিকল্পিতভাবে মানহানি ও সম্মানহানির চেষ্টা করছে। মানুষকে রক্ষা করা দরকার। আমি নিজের জন্য বলছি না গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হবে, বিচারব্যবস্থাকে বাঁচাতে হবে।"

সাম্প্রতিক কয়লা পাচার মামলার তদন্ত ইস্যুতে আইপ্যাকের বাড়ি ও অফিসে ইডি এর তল্লাশিতে উত্তপ্ত রাজনীতি। যদিও সে প্রসঙ্গে সরাসরি শব্দব্যয় করেননি মমতা, তবে বক্তব্যে বারবারই উঠে এসেছে সাংবিধানিক মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক সুরক্ষার প্রশ্ন।
এদিন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আর্থিক সাহায্য আটকে দেওয়ার অভিযোগও তুললেন মুখ্যমন্ত্রী। মঞ্চে থাকা কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর দিকে তাকিয়েই বললেন, "রাজ্যে ৮৮টি ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্ট করেছি। ৫২টি শুধুই মহিলাদের জন্য। আরও আছে পকসো, শ্রম ও মানবাধিকার আদালত। কিন্তু কেন্দ্র ফান্ড বন্ধ করে দিয়েছে। আমরাই ১,২০০ কোটি টাকা খরচ করেছি।"
এর পরেই তাঁর সরল আবেদন "সংবিধানকে রক্ষা করুন। গণতন্ত্র, নিরাপত্তা, আমাদের ইতিহাস ও সীমান্ত সবই আজ সুরক্ষার দাবি রাখে।"
ইতিহাস গড়লো জলপাইগুড়িও। ৪০.০৮ একর জমিতে নির্মিত নতুন ভবনের চেহারা একেবারে আন্তর্জাতিক মানের হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বাংলো থেকে শুরু করে ১৮টি রেসিডেন্সিয়াল বাংলো, ৪০০ আসন বিশিষ্ট অডিটোরিয়াম, এমনকি সুইমিং পুলও। স্থায়ী সার্কিট বেঞ্চ চালু হওয়ায় উত্তরবঙ্গের বিচারপ্রার্থীদের জন্য তৈরি হল স্বস্তির নতুন দুয়ার।












Click it and Unblock the Notifications