অমাবস্যার আঁধারে ভরা কোটালের ভ্রুকুটি, ফের চোখ রাঙাচ্ছে সমুদ্র, উপকূল থেকে সরানো হচ্ছে ২০ হাজার মানুষকে
অমাবস্যার আঁধারে ভরা কোটালের ভ্রুকুটি, ফের চোখ রাঙাচ্ছে সমুদ্র, উপকূল থেকে সরানো হচ্ছে ২০ হাজার মানুষকে
একদিকে গভীর নিম্নচার আরেক দিকে অমাবস্যার ভরা কোটাল। ফের ভাসবে উপকূল। আগামিকাল সকাল থেকেই শুরু হয়ে যাবে ভরা কোটাল। আজ রাত থেকেই ফুলে ফেঁপে উঠতে শুরু করবে সমুদ্র। আগে থেকেই তাই সতর্ক রাজ্য সরকার। উপকূলবর্তী এলাকায় প্রায় ২০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মৎস্যজীবীদের আগামিকাল সকালের মধ্যে ফিরে আসতে বলা হয়েছে।

ফের ভরা কোটাল
ইয়াস ঘূর্ণিঝড়ের মাঝেই ছিল পূর্ণিমার ভরা কোটাল। এবার অমাবস্যার ভরা কোটাল চোখ রাঙাচ্ছে। তার সঙ্গে চলবে পূর্ণগ্রাস সূর্য গ্রহণ। ভারত থেকে সেটা দেখা না গেলেও। এমনই একটি মহাজাগতিক পরিস্থিতি আগামিকাল তৈরি হচ্ছে যে সমুদ্র ফুলে ফেঁপে উঠবে। পূর্ণিমার ভরাকোটালের থেকেও ভয়ঙ্কর হবে এই অমাবস্যার ভরা কোটাল। আগেইএই নিয়ে সতর্ক করেছে হাওয়া অফিস।

মৎস্যজীবীদের ফিরে আসার নির্দেশ
ফুলে উঠবে সমুদ্র। ইতিমধ্যেই জল বাড়তে শুরু করেছে। উত্তাল হবে ঢেউ। আগে থেকেই তচাই মৎস্যজাবীদের সতর্ক করে তাঁদের আগামিকালের মধ্যে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। ইয়াসের পর অমাবস্যার ভরা কোটালে ফেল প্লাবিত হবে উপকূলবর্তী জেলা গুলি। এমনকী কলকাতা শহরেও গঙ্গা সংলগ্ন এলাকা গুলিতে ভরা কোটালের প্রভাব পড়বে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

সরানো হল ২০ হাজার মানুষকে
উপকূল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় সরিয়ে আনা হচ্ছে ২০ হাজার মানুষকে। আগেই ইয়াসের কারণে উপকূলের একাধিক এলাকা থেকে জল নামেনি। বিশেষ করে সুন্দরবন, সন্দেশখালি, পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘা, রামনগর সহ একাধিক এলাকায় এখনও বহু মানুষ ঘরে ফিরতে পারেননি। তার মধ্যেই ফের ভরা কোটাল আসছে। তাই আগে থেকেই সতর্ক রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে উপকূলবর্তী এলাকা গুলিতে বিশেষ নজর দিয়েছে প্রশাসন।

ত্রাণ শিবিরে আশ্রয়
আজ থেকেই উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের ত্রাণ শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের সেখানে খাবারের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সব দিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আগামী দুদিন উপকূলবর্তী এলাকায় যেতে নিষেধ করা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে উপকূলরক্ষী বাহিনীকেও।
প্রতীকী ছবি












Click it and Unblock the Notifications