২৫ সেকেন্ড ধরে ‘থরথর’ করে কাঁপল মাটি! আফটার শকের আতঙ্কে ‘ছুটি’ উত্তরবঙ্গে
২৫ সেকেন্ডের ভূমিকম্পে আতঙ্কের রেশ ছড়াল সর্বত্রই। আফটার-শকের আতঙ্কে সবাই রাস্তায় নেমে আসে। ছুটি দেওয়া হয় মর্নিং স্কুলগুলিতেও।
ক'দিন আগেই দক্ষিণবঙ্গের পাঁচ জেলা আচমকাই কেঁপে উঠেছিল। সেই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল গঙ্গাপারের হুগলিতে। আর এবার মূল কম্পন অনুভূত হল উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে। কেঁপে উঠল কলকাতা-সহল দক্ষিণবঙ্গও। এবার উৎসস্থল অসমের কোকরাঝাড়। ২৫ সেকেন্ডের ভূমিকম্পে আতঙ্কের রেশ ছড়াল সর্বত্রই। আফটার-শকের আতঙ্কে সবাই রাস্তায় নেমে আসে। ছুটি দেওয়া হয় মর্নিং স্কুলগুলিতেও।

অসমের কোকরাঝাড় ভূমিকম্পের উৎসস্থল হওয়ায় উত্তরবঙ্গে প্রবল ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ২৫ সেকেন্ড ধরে পায়ের তলার মাটির কাঁপতে থাকে। ফলে আতঙ্কের রেশ তীব্র আকার নেয়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৫.৫। বড়সড় ক্ষতি না হলেও, আতঙ্কের রেশ কাটতে সময় লেগে যায়। কালিম্পং থেকে কাকদ্বীপ অুভূত হয় কম্পন।
দক্ষিণবঙ্গের মানুষ দিন ১০ আগেই ভূমিকম্পের স্বাদ পেয়েছিলেন। হুগলির পান্ডুয়া ছিল সেই ভূমিকম্পের উৎসস্থল। তা জানার পর থেকেই আতঙ্কিত ছিলেন মানুষ। পাঁচটি জেলায় সেই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এবার অসমের কোররাঝাড়ের ১৩ কিমি গভীরে যে ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল, সেই ভূমিকম্পের বিস্তার ছিল অনেক বেশি।
ভূমিকম্প যেমন অনুভূত হয়েছে কলকাতায়, তেমননি দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, শিলিগুড়ি, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, এমনকী বীরভূমও কেঁপে ওঠে। বিহার, অসম, মেঘালয়, মায়ানমারেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সকাল ১০ টা ২০ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। উত্তরবঙ্গের বহুতলগুলি থেকে আতঙ্কিত মানুষ নেমে আসেন নিচে। তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে শিলিগুড়িতে মাথায় আঘাত লেগে একজনের মৃত্যু হয়। জলপাইগুড়িতে মর্নিংস্কুলগুলিতে ছুটি দিয়ে দেওয়া তৎক্ষণাৎ।
ভূমিকম্পের পরই অভিভাবকরা ছুটে আসেন স্কুলে। তখন পঠন-পাঠন বন্ধ করে স্কুলের বাইরে শিক্ষক-শিক্ষিকা পরিবেষ্টিত হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন ছেলে-মেয়েরা। এরপরই স্কুল ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। জলপাইগুড়ি-সহ উত্তরবঙ্গের অনেক স্কুলেই ছুটি দেওয়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।












Click it and Unblock the Notifications