ছেলের পর এবার বাবাও! আরজি কর নিয়ে প্রাক্তন মন্ত্রীর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত নিজের দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে
যাঁরা সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে ও তাঁর ছেলেকে নিয়ে এই ধরনের প্রচার করছেন তাঁদের আরও উন্নয়ন হোক। ছেলে এবং তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে । এটা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, কে বা কারা করছে নির্দিষ্ট কোনও ইঙ্গিত দেননি তমলুকের তৃণমূল বিধায়ক সৌমেন মহাপাত্র। তবে তাঁর ইঙ্গিত যে দলের দিকে সেটা কার্যত এদিন পরিষ্কার করে দিয়েছেন সৌমেন মহাপাত্র। তিনি বলেছেন, কাক কাকেরই মাংস খায় অর্থাৎ তাঁর দলেরই লেকজন যে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে সেটা সৌমেন মহাপাত্রের কথায় স্পষ্ট।
আরজি করে মহিলা পিজি চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় বড় আঘাত পেয়েছেন সৌমেন মহাপাত্র। কারণ বিগত কয়েকদিন ধরে সারা দেশ জুড়ে ফোন আসা শুরু হয়েছে সৌমেন মহাপাত্রের কাছে। ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সৌমেন মহাপাত্রের ছেলে এই খুনের ঘটনায় জড়িত। এই ধরনের চাঞ্চল্যকর পোস্টে যথেষ্টই মর্মাহত তমলুকের বিধায়ক সৌমেন মহাপাত্র।

- কী বলছেন সৌমেন মহাপাত্র
সোশ্যাল মিডিয়ায় তার নিজের ছেলের নাম জড়িয়ে থাকার বিষয়ে সাফাই দিয়ে প্রাক্তন মন্ত্রী বলেন, কোনও ভাবেই তাঁর ছেলে এই খুনের ঘটনায় জড়িত নয়। বিচার বিভাগীয় তদন্তে স্বার্থে তিনি বা তাঁর ছেলে অবশ্যই সাহায্য করবেন। তবে এভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুলভাল পোস্ট কোনভাবেই মেনে নেবেন না তিনি।
তিনি বলেছেন, একসময় মন্ত্রী ছিলেন বলে অনেকেই ভয় করতেন, আবার দলের অনেকেই তাঁর বিরোধী ছিলেন। সেই রাগের তাঁকে ও তাঁর ছেলেকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে সমাজ মাধ্যমে। সারা দেশ থেকে ফোনের মাধ্যমে জানার চেষ্টা চলছে তাঁর ছেলে এরকম কাজের সঙ্গে যুক্ত কিনা। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এর ফলে তাঁর ছেলেকে গণপ্রহারের শিকার তে না হয়।
বিষয়টি নিয়ে দল এখনো পর্যন্ত কোনও সাফাই চায়নি। তবে দলের সিদ্ধান্তকেই তিনি মাথা পেতে নেবেন বলে জানিয়েছেন। বিচার বিভাগীয় তদন্তে চিকিৎসক খুনের ঘটনায় তিনি ও তাঁর ছেলে হাজির হতে প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন।
- সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল
আরজি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ধৃত সঞ্জয় রায়ের সঙ্গে জনৈক চিকিৎসক সিনহা মহাপাত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশিত হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তারপরেই সৌমেন মহাপাত্রের ছেলে চিকিৎসক বোধিসত্ত্ব মহাপাত্রকে টার্গেট করা হয়।
- কী বলছেন চিকিৎসক বোধিসত্ত্ব মহাপাত্র
চিকিৎসক বোধিসত্ত্ব মহাপাত্র জানিয়েছেন তিনি এমবিবিএস পাশ করেছেন ২০১৭ সালে। তাঁর সঙ্গে এই মুহূর্তে আরজি কর হাসপাতালের কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি এই মুহূর্তে পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশপুড়ার ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক।
তিনি সোমবার নিজের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার নিয়ে দলেরই একাংশকে নিশানা করেছিলেন। পাশাপাশি তিনি বলেছিলেন, চিকিৎসকের এই মর্মান্তিক পরিণতির দায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। একটি হাসপাতালে কোন বিভাগে কখন কে ডিউটিতে থাকেন, তাঁদের গতিবিধি সম্পর্কে বেশি অবগত থাকেন নির্দিষ্ট বিভাগের লোকজন। তাঁদের প্রত্যেককেই জিজ্ঞাসাবাদের দরকার। পাশাপাশি তিনি পুলিশের একাংশের বিরুদ্ধে সক্রিয়তার অভাবের অভিযোগ করে বলেছিলেন, এদের সক্রিয়তার অভাবেই তদন্তে দেরি হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications