পর পর দুই কন্যা সন্তান হওয়ায় স্ত্রীকে খুন করল স্বামী! হাসপাতালেই গণপিটুনি
পর পর দু’টি কন্যা সন্তান হওয়ায় গৃহবধূকে খুন করার অভিযোগ উঠল শ্বশুর বাড়ির বিরুদ্ধে। বছর ২২-এর এই গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় নিজের ঘর থেকেই।
বীরভূম, ৪ মার্চ : পর পর দু'টি কন্যা সন্তান হওয়ায় গৃহবধূকে খুন করার অভিযোগ উঠল শ্বশুর বাড়ির বিরুদ্ধে। মৃত গৃহবধূর নাম রাখি লেট। বছর ২২-এর এই গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় নিজের ঘর থেকেই। অভিযোগ, রাখি আত্মহত্যা করেননি, তাঁকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগে হাসপাতালেই প্রহৃত হয় মৃতার স্বামী ঝন্টু লেট। শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের হাতে প্রহৃত হতে হয় ঝন্টুকে। এরপর রামপুরহাট থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাকে।
বীরভূমের মাড়গ্রামের রাখির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তারাপীঠের সাহাপুরের বাসিন্দা ঝন্টুর। পেশায় রং মিস্ত্রি সে। বিয়ের বছর দু'য়েক পরেই ঝন্টু-রাখির কন্যা সন্তান হয়। তারপর থেকেই রাখিকে দ্বিতীয় সন্তানের জন্য চাপ দিতে শুরু করে ঝন্টু। সেখানেই সীমাবদ্ধ নয় প্রত্যাশ্যা। এবার যাতে পুত্র সন্তান হয়, তা নিশ্চিত করতে, শিকর খাওয়ানো হয়। তারপর একাধিক গুনিনের কাছেও নিয়ে যাওয়া হয় রাখিকে।

তারপরও কন্যাসন্তানের জন্ম দেন রাখি। শুরু হয় অত্যাচার। দিনের পর দিন অত্যাচারের মাত্রা বাড়তে থাকে। শুক্রবার গভীর রাতে রাখির বাপের বাড়িতে ফোন করে জানানো হয় রাখি আত্মহত্যা করেছেন। রামপুরহাট হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানেই মৃত্যু হয় রাখির। রাখির বাবা জানান, শনিবার ভোরে হাসপাতালে এসে মেয়ের দেহ দেখতে পাই।
এরপরই ঝন্টুর কীর্তির কথা জানতে পেরে তাকে মারধর করা হয়। হাসপাতালেই ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে যায়। গণপ্রহারের পর পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় ঝন্টুকে। ঝন্টুকে গ্রেফতার করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications