নাটক তুঙ্গে! দুই বিজেপি বিধায়কের জন্যে নিরাপত্তা মমতা সরকারের, প্রত্যাখ্যান
নাটক তুঙ্গে! দুই বিজেপি বিধায়কের জন্যে নিরাপত্তা মমতা সরকারের, প্রত্যাখ্যান
নিরাপত্তা নিয়ে নাটক তুঙ্গে! তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যাওয়া দুই বিধায়কের নিরাপত্তায় কে? রাজ্য নাকি কেন্দ্র! তা নিয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে তুঙ্গে নাটক। যদিও শেষমেশ রাজ্যের দেওয়া নিরাপত্তা প্রত্যাখ্যান করেছেন দুই বিধায়কই। এমনটাই সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, বিজেপিতে যাওয়া দুই বিধায়কই জানিয়েছেন, রাজ্যের নিরাপত্তার কোনও প্রয়োজন নেই। কেন্দ্রের সিআরপিএফ রয়েছে তাঁদের নিরাপত্তার দায়িত্বে। সুতরাং রাজ্যের নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই। তবে রাজ্য পুলিশের দাবি, বিজেপিতে যাওয়া দুই বিধায়কের কাছে কোনও নিরাপত্তাই পাঠানো হয়নি।

তৃণমূলে কি সত্যিই ফিরছেন সুনীল-বিশ্বজিৎ?
মঙ্গলবার সকালে সুনীলের তৃণমূলের প্রত্যাবর্তন ঘিরে জল্পনা আরও তৈরি হয়। এদিন সকালে নোয়াপাড়ার এই বিধায়ককে নিরাপত্তা দেয় রাজ্য সরকার। নিরাপত্তা দেওয়া হয় বনগাঁর বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাসকেও। সোমবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন বিধায়ক সুনীল সিং এবং বনগাঁর এই বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস। প্রায় ২০ মিনিট কথা হয় দুজনের। এরপরেই দুজনকেই নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাজ্য সরকারের। বিজেপিতে যাওয়া দুই বিধায়কের সঙ্গে প্রথমে বৈঠক এরপরেই রাজ্যের নিরাপত্তা! রাজনৈতিকভাবে যা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হয়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তৈরি হয় বিভ্রান্তি। সুনীল সিং জানান, নিরাপত্তার কোনও প্রয়োজন নেই। এমনকি, বনগাঁর বিধায়কও জানিয়ে দেন, তাঁর কোনও রাজ্য পুলিশের নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই। যা ঘিরে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। যদিও রাজ্য পুলিশের দাবি, দুই বিধায়কের জন্যে কোনও নিরাপত্তার ব্যবস্থাই করা হয়নি।

রাতেই নাকি নিরাপত্তার জন্য যোগযোগ করা হয়
কিন্তু সুনীল সিং জানিয়েছেন, সোমবার রাতে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে রাজ্য পুলিশ। এমনকি, রাজ্য পুলিশের দুজনকে তাঁর বাড়িতে পাঠিয়েও দেওয়া হয় বলে দাবি সুনীলের। যদিও তিনি জানিয়েছেন, তাঁর রাজ্য পুলিশের কোনও নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পান তিনি। ফলে তাতেই ঠিক রয়েছে। একই ভাবে বনগাঁর বিধায়কের সঙ্গেও যোগাযোগ করে রাজ্য পুলিশ। কিন্তু সরাসরি তিনি তা নিতে অস্বীকার করেন। তিনি পালটা জানান, দলবদলের পরে রাজ্য সরকার নিরাপত্তা তুলে নেন। নতুন করে আর নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই বলেই তিনি নাকি জানিয়েছেন।

তৃণমূলে কি যাচ্ছেন সুনীল- বিশ্বজিৎ?
মঙ্গলবার সকালে সুনীল সিং জানিয়েছেন যে, তিনি এখনও বিজেপিতেই রয়েছেন। তৃণমূলে যাওয়ার কোনও প্রয়োজন তাঁদের নেই বলেই জানিয়েছেন সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ঘনিষ্ঠ এই আত্মীয়। তবে সকাল থেকেই বাড়িতে নেই সুনীল। যা নিয়ে একটু জল্পনা তৈরি হয়। তবে পরে জানা যায়, তাঁর বিধানসভা এলাকায় কাজ দেখতে বেরিয়েছেন নাকি সুনীল সিং। একই কথা জানিয়েছেন বনগাঁর বিধায়কও। তিনি জানিয়েছেন, প্রকল্প নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। কথা হয়েছ। এখনও বিজেপিতেই আছি। দলবদলের কোনও প্রশ্নই ওঠে না বলে দাবি তাঁর।

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পরেই মুকুল-কৈলাসের সঙ্গে বৈঠক
অন্তত গুরুত্বপূর্ণ। বিধানসভা ভোটের মুখে দল ভাঙতে দেওয়া যাবে না। আর দলের দুই বিধায়কের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের খবর সামনে আসার পরেই বিশ্বজিৎ কুণ্ডু এবং সুনীল সিংকে দ্রুত হেস্টিংসে বিজেপির দফতরে ডেকে নেওয়া হয়। কার্যত দুই বিধায়কের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়। সূত্রের খবর, একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এরপরেই সম্ভবত দুই দলবদল করা বিধায়ক তৃণমূলে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।












Click it and Unblock the Notifications