কেন্দ্রের সংখ্যালঘু উন্নয়নের টাকায় তৈরি প্রকল্প 'ফ্লপ'! কেন্দ্রীয় দল পাঠানোর দাবি করে মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর
রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা ব্যর্থ, এই অভিযোগে সরব হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি টুইট করে কর্মতীর্থ প্রকল্পের স্টল পড়ে থাকার সরকারি নথি সামনে আনেন। যেখানে বলা হয়েছে, স্টলগুলিকে যেন স্থানীয় ক্লাবের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
এদিন টুইটে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্মতীর্থ নামে একটি প্রকল্প রাজ্যে চালু করে স্টল/দোকান তৈরি করেছিল। কিন্তু সেই প্রকল্প খুব বাজে ভাবে ফ্লপ হয়েছে বলে উল্লেখ করতে গিয়ে সরকারি নথি ব্যবহার করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, স্টলগুলির কোনও সরকারি ক্রেতা নেই। সারা রাজ্যে সবমিলিয়ে ৮১০ টি স্টল খালি পড়ে রয়েছে।

বিরোধী দলনেতা সেখানে আরও বলেছেন, কেন্দ্রের সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রকের মাল্টি সেক্টরাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের অধীনে বরাদ্দ করা তহবিল ব্যবহার করে কর্মতীর্থের স্টলগুলি তৈরি করা হয়েছিল। তিনি বলেছেন, এটি ছিল একটি কেন্দ্রের স্পনসর করা প্রকল্প। দেশের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলাগুলিতে সংখ্যালঘুদের আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নতির জন্যই এই প্রকল্প।
শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই প্রকল্পে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ করা অর্থির অপব্যবহারই করেনি, তারা এমন একটি প্রকল্পে সেই টাকার ব্যবহার করেছে, যা পরিকল্পনা এবং তা কার্যকরা করা সঠিক হয়নি। তিনি অভিযোগ করেছেন, স্টলগুলি সঠিক জায়গায় হয়নি। এছাড়াও পরিকাঠামোও ঠিক নয়।

বিরোধী দলনেতা বলেছেন, যেহেতু প্রকল্পটি খারাপভাবে ফ্লপ করেছে, তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্থানীয় ক্লাবগুলির কাছে তা হস্তান্তর করার পরিকল্পনা নিয়েছেন। কোনও নিয়ম না থাকায় জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে স্টলগুলিকে স্থানীয় ক্লাবের হাতে তুলে দেওয়া হবে। সাধারণভাবে তৃণমূলের যুক্ত থাকা ক্লাবগুলির হাতেই তা তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করার অভিযোগ তিনি করেছেন।
"Karmatirtha" is a fancy name given by the WB Govt to promote a Scheme for building Stalls/Shops across WB. The scheme has badly flopped & there are no takers of these stalls. The annexed letter itself accentuates the fact that 810 Stalls are lying vacant.
— Suvendu Adhikari • শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) May 24, 2023
Interestingly; the… pic.twitter.com/RESbtGSBfv
তিনি বলেছেন, সংখ্যালঘুদের উন্নয়নের জন্য তহবিল থেকে তৈরি স্টলগুলি শেষপর্যন্ত তৃণমূলের কর্মীদের হাতেই তুলে দেওয়া হবে। যেগুলি সমাজবিরোধী কার্যকলাপের কেন্দ্রে পরিণত হবে। এর মধ্যে কোনও কোনওটি আবার বোমা মজুতের জন্য ব্যবহার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিরোধী দলনেতা।
সব শেষে তিনি কেন্দ্রের সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, কর্মতীর্থ প্রকল্পের পর্যবেক্ষণে যেন কেন্দ্রীয় দল পাঠানো হয়। পাশাপাশি বিষয়টির সিএজি তদন্তেরও দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেক্ষেত্রে বলা যেতেই পারে রাজ্যের আরও এক প্রকল্পের পর্যবেক্ষণে আসতে চলেছে কেন্দ্রীয় দল।












Click it and Unblock the Notifications