২১ জুলাই, শহিদ দিবসের পর দিনই ধর্মতলায় শুভেন্দু অধিকারীর কর্মসূচি, কী হবে সেদিন?
বিদ্যুতের বিল যেমন খুশি বাড়ানো হচ্ছে। নীতি-নিয়ম বিরুদ্ধে ভাবে রাজ্যের মানুষের উপর বিদ্যুতের বিলের চাপ বাড়ছে৷ এই অভিযোগ আগেই করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এবার সিইএসসির অফিসের সামনে অভিযানের ডাক দিলেন তিনি।
রবিবার কলকাতার রাজভবনের বাইরে রাস্তায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতার ধর্না কর্মসূচি ছিল। সেই কর্মসূচিতে তিনি রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নিশানা করেছেন। বিধানসভা উপ নির্বাচনে দলের হারের কারণও ব্যাখ্যা করেছেন।

৪০০ কোটি টাকা বন্ডে দেওয়া হয়েছে। সিইএসসির মালিক এই টাকা দিয়েছেন। অভিযোগ বিরোধীদের। এদিকে সিইএসসি জোনে গ্রাহকদের বেশি ইলেকট্রিক বিল আসছে৷ ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের খরচও অনেক বেশি। এই অভিযোগ বহু দিনের। এবার সেই সব বিষয় নিয়ে পথে নামছেন শুভেন্দু অধিকারী।
আগামী ২২ জুলাই সিইএসসি অফিস ঘেরাও কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, " আগামী ২২ তারিখ ৪০০ কোটি টাকা চাঁদা দেওয়া সিইএসসি অফিস ঘেরাও করতে নামছি আমি কলকাতায়। বিদ্যুতের বিল এভাবে বাড়ানো কেন হল? জবাব দিতে হবে এই রাজ্যের সরকারকে।"
শান্তিপূর্ণ ধর্না, ঘেরাও কর্মসূচি করা হবে। এই কথা জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। ফের তিনি ধারাবাহিক কর্মসূচিতে নামছেন। এই কথা নিজেই এদিন বললেন শুভেন্দু। আর এখানেই এক অন্য ইঙ্গিত পাচ্ছেন রাজনৈতিক মহল। ২১ জুলাই তৃণমূলের শহিদ দিবস পালন করা হয় ধর্মতলা। সিইএসসি অফিসের সামনে বিশাল মঞ্চ করা হয়৷ প্রধান বক্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সেই সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য রাখবেন তৃণমূল কর্মী - সমর্থকদের প্রতি। আর ঠিক তার পরের দিনই সেখানে কর্মসূচি রাখছেন শুভেন্দু। কিন্তু সেই কর্মসূচিতে পুলিশ অনুমতি পাওয়া যাবে কি? এই প্রশ্ন উঠছে। সেক্ষেত্রে অনুমতি না পাওয়া গেলে কী করবেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা?












Click it and Unblock the Notifications