Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

পাঁচ বছর পর ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী, রাজনীতির কেন্দ্রে ২০২৬ এর রণকৌশল

পাঁচ বছরের বিরতির পর আবারও কলকাতার ঐতিহাসিক ব্রিগেড ময়দানে সমাবেশ করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর এই প্রথম বাংলার রাজনৈতিক কেন্দ্রবিন্দুতে দাঁড়িয়ে জনসভা করবেন তিনি। শনিবার দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিটে অসম সফর শেষে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছনোর কথা প্রধানমন্ত্রীর। তাঁর এই সফর ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে ইতিমধ্যেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

শুধু রাজনৈতিক সভা নয়, এ দিনের কর্মসূচিতে প্রশাসনিক গুরুত্বও রয়েছে। ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই প্রায় ১৮,৮৬০ কোটি টাকার একাধিক সরকারি প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই আনুষ্ঠানিকতার পরই শুরু হবে রাজনৈতিক ভাষণ, যেখানে দলীয় কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেবেন তিনি।

রাজনৈতিক মহলের চোখ এখন মূলত দুই প্রশ্নে। প্রথমত, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী কী ধরনের আক্রমণাত্মক সুর নেন। দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলার জন্য প্রধানমন্ত্রী নতুন কোনও বড় ঘোষণা করেন কি না। অনেকের মতে, এই ব্রিগেড সভা আসলে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল সাজানোর গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ।

এবারের সমাবেশে বিজেপি বিশেষভাবে তুলে ধরেছে বাঙালিয়ানা। মঞ্চসজ্জায় দেখা যাবে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের প্রতিকৃতি, বিষ্ণুপুরের টেরাকোটা শিল্প, পটচিত্রের ছোঁয়া ও বাউল কীর্তনের আবহ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলের দীর্ঘদিনের বহিরাগত তকমার পাল্টা জবাব দিতেই বাংলার সংস্কৃতিকে সামনে আনার এই কৌশল।

তবে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপও কম নয়। পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদা থেকে ব্রিগেডমুখী একটি বাসে হামলার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। বাসের কাচ ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি দলের কর্মীদের। যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। অন্যদিকে কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় বয়কট বিজেপি পোস্টার ঘিরেও শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। যদিও বিজেপির দাবি "তৃণমূলের এই পোস্টারই প্রমাণ করছে তারা আতঙ্কে রয়েছে।"

উল্লেখযোগ্যভাবে, দিনটি পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ২০০৭ সালে নন্দীগ্রামে জমি আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে ও সংঘর্ষে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেই স্মৃতিবহ দিনেই প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সভা রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন কোনও বার্তা বা মোড় আনতে পারে কি না, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+