অ্যাডিনোভাইরাস মোকাবিলায় জারি হল অ্যাডভাইজারি, খোলা হল বিশেষ কন্ট্রোল রুম
করোনা ভাইরাস নিয়ে রীতিমত উদ্বেগের জায়গাতে পৌঁছে গিয়েছিল বাংলা। কার্যত হু হু করে বাড়ছিল সংক্রমণ। আর ঠেকানো গেলেও রাজ্যে নতুন বিপদ অ্যাডিনো। কীভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব?
বাংলায় ক্রমশ চিন্তা বাড়াচ্ছে অ্যাডিনোভাইরাস! বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ক্রমশ বাড়ছে ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা। এই অবস্থায় কার্যত বেড পাওয়া মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। আর এর মধ্যেই গত ২৪ ঘন্টায় বেশ কয়েকটি শিশুর মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। আর এরপরেই হাসপাতালগুলির পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
যদিও এই অবস্থায় মঙ্গলবারই স্বাস্থ্য ভবনে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। যেখানে একাধিক স্বাস্থ্য আধিকারিক সহ একাধিক চিকিৎসক উপস্থিত ছিল বলে খবর।

অ্যাডিনোভাইরাস মোকাবিলা কীভাবে তা নিয়েই দীর্ঘ আলোচনা
সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে সেই বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা হয়। মূলত অ্যাডিনোভাইরাস মোকাবিলা কীভাবে তা নিয়েই দীর্ঘ আলোচনা হয় বলে খবর। আর এরপরেই রাজ্যের তরফে অ্যাডভাইজারি জারি করা হয়েছে। যেখানে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত কয়েক দফায় অ্যাডিনোভাইরাস নিয়ে একাধিক নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য দফতর। তাতেও কার্যত পরিস্থিতি সামাল দেওয়া ক্রমশ চ্যালেঞ্জের হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এই অবস্থায় স্বাস্থ্য দফতরের তরফে অ্যাডভাইজারি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

হাসপাতালগুলিতে পরিস্থিতির জন্যে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে
সমস্ত হাসপাতালগুলিতে পরিস্থিতির জন্যে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে। মেডিক্যাল কলেজগুলি ছাড়াও অন্যান্য হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতালগুলিতে জরুরি ভিত্তিতে পেডিয়াট্রিক ARI ক্লিনিক চালু করতে বলা হয়েছে। পর্যাপ্ত ভেন্টিলেটারের ব্যবস্থা করতেও সমস্ত হাসপাতালগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। করোনার সময় বড়দের জন্যে যে ভেন্টিলেটর কেনা হয় সেগুলি ব্যবহার করা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্তা। অন্যদিকে সব সময়ে যাতে হাসপাতালগুলিতে শিশু বিশেষজ্ঞ থাকে সেই কথাও জানানো হয়েছে। এছাড়াও করোনার জন্যে খোলা বিশেষ ওয়ার্ডগুলিকেও তৈরি রাখতে বলা হয়েছে। সর্দি-কাশি এবং শ্বাসকষ্ট নিয়ে আসা শিশুদের এবং তাঁদের মায়েদের সেখানে রাখা যায়।

খোলা হল কন্ট্রোল রুম
শুধু কলকাতাই নয়, জেলা হাসপাতালগুলিতেও ইতিমধ্যে সতর্ক করা হয়েছে। অন্যদিকে পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে উঠেছে যে ২৪ ঘন্টার জন্যে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। যেখানে যে কোনও সাহায্য চেয়ে ফোন করা যেতে পারে। আর সেই নম্বরটি হল ১৮০০৩১৩৪৪৪।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী
এদিন অ্যাডিনোভাইরাস নিয়ে হওয়া উচ্চ পর্যায়ের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁকে রাজ্যে পরিস্থিতির বিষয়ে সম্পূর্ণ ভাবে অবগত করা হয়। বলে রাখা প্রয়োজন, একের পর এক হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর ঘটনা বাড়ছে। আবারও শহরে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে গত তিন দিনে ১০ জনের মৃত্যু হল। যা রীতিমত উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications