Adhir Chowdhury: অধীরকে অপসারণ! প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদে শুভঙ্কর
Adhir Chowdhury: অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো। আজ সর্বভারতীয় কংগ্রেসের তরফে বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
কেসি বেণুগোপাল প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছেন, শুভঙ্কর সরকারকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি করার কথা। শুভঙ্করকে সে জন্য সর্বভারতীয় কংগ্রেসের সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো। অধীরের দলের প্রতি অবদানের প্রশংসা করা হয়েছে বিবৃতিতে।

কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের নির্দেশেই এই বদল বলে জানা যাচ্ছে। কংগ্রেস সূত্রে খবর, শুভঙ্কর রাহুল গান্ধীরও খুব ঘনিষ্ঠ। অধীর রঞ্জন চৌধুরী এবারের লোকসভা নির্বাচনে বহরমপুর কেন্দ্র থেকে পরাস্ত হয়েছিলেন। সেখানে জেতেন ইউসুফ পাঠান।
লোকসভা নির্বাচনে প্রচারে দিল্লির হেভিওয়েট নেতারা বহরমপুরে না যাওয়ায় উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন অধীর। ইন্ডিয়া জোটে কংগ্রেসের সঙ্গে রয়েছে তৃণমূল। কিন্তু অধীর তৃণমূলের বিরুদ্ধে আগ্রাসী থাকায় খাড়গের সঙ্গে তাঁর বাকযুদ্ধও চলেছিল। লোকসভা ভোটে হারার পর অধীর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ ছাড়তেও চেয়েছিলেন।
বাংলায় বামেদের সঙ্গে কংগ্রেসের জোট গড়ার ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা ছিল অধীরের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের চরম বিরোধিতাও চালিয়ে যাচ্ছিলেন অধীর। দিল্লির হাইকমান্ডের সঙ্গে মমতা বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা চললেও অধীরের বিরোধিতায় তৃণমূলও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বারবার।
রাজনৈতিক মহলের অভিমত, সর্বভারতীয় ক্ষেত্রের মতো রাজ্যেও যাতে কংগ্রেস-তৃণমূল কাছাকাছি থাকে তা সুনিশ্চিত করতেই অধীরকে সরিয়ে শুভঙ্করকে দায়িত্ব দেওয়া হলো। ছাত্র রাজনীতি করে উঠে আসা শুভঙ্কর দলের সাংগঠনিক নানা দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২১ সালে তিনি বিধানসভা নির্বাচনে দাঁড়ালেও জিততে পারেননি। ২০১৬ সালে পরবর্তী বিধানসভা ভোট। বাংলায় ক্ষয়িষ্ণু কংগ্রেসকে তিনি কতটা ঘুরে দাঁড় করাতে পারেন সেটাই দেখার। সূত্রের খবর, অধীরকে এরপর কোনও পদ দিতে পারে কংগ্রেস। রাজ্যসভার সাংসদ করে আনার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।












Click it and Unblock the Notifications