কংগ্রেসের দলনেতার পদ থেকে সরছেন অধীর! আসন্ন লোকসভায় তৃণমূলের সঙ্গে সেতুবন্ধনের বার্তা?
কংগ্রেসের দলনেতার পদ থেকে সরছেন অধীর! আসন্ন লোকসভায় তৃণমূলের সঙ্গে সেতুবন্ধনের বার্তা?
দিল্লি অন্দরে কানাঘুঁষো শোনা যাচ্ছিল দীর্ঘদিন থেকেই। এমনকী বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের করুণ পরিণতির পর জল্পনা আরও তীব্র হয়েছিল। অবশেষে সেই জল্পনা সত্যি করেই লোকসভায় কংগ্রেস দলনেতার পদ থেকে অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে সরানো হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। তবে তাঁর বদলি হিসাবে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে তাই নিয়ে জোরদার আলোচনা চালাচ্ছেন সোনিয়ারা।

দায়িত্বে ‘না’ রাহুলের
সূত্রের খবর, অধীর সরলেও লোকসভায় কংগ্রেস দলনেতার দায়িত্ব নেবেন না রাহুল। ইতিমধ্যেই নিজের অবস্থানও স্পষ্ট করেছেন তিনি। কিন্তু তাহলে অধীর বদলি কে হবেন? শোনা যাচ্ছে এই জায়গায় দায়িত্ব পেতে পারেন দলেই কোনও বিক্ষুব্ধ নেতা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরেই কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের দায়-দায়িত্ব নিয়ে বিস্তর বাগবিতণ্ডা চলছে দলের অভ্যন্তরেই। প্রকাশ্যে আসে নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্বের কথাও।

কে পেতে পারেন নতুন দায়িত্ব ?
এমনকী বিগত কয়েক মাস ধরে কংগ্রেসের অস্থায়ী সভাপতি সোনিয়া গান্ধীকে একাধিক বিস্ফোরক চিঠি লিখেছেন দেশের নানা প্রান্তের কংগ্রেস নেতারা। সূত্রের খবর, এই সমস্ত বিক্ষুব্ধ নেতাদের মধ্যেই কাউকে দলনেতার পদে বেছে নেওয়া হতে পারে। তালিকায় রয়েছে শশী তারুর, মণীশ তিওয়ারি, গৌরব গগৈ, রণভিত সিংহ বিট্টু ও উত্তমকুমার রেড্ডি-র মতো ৫ নেতার নাম।

বাদল অধিবেশনের আগেই সরছেন অধীর
এদিকে ২২ জুলাই থেকেই শুরু হচ্ছে লোকসভার এবারের বাদল অধিবেশন। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা তার আগেই যাবতীয় কাজকর্ম সেরে ফেলতে পারেন সোনিয়া গান্ধী। এদিকে ৪০ বছরে প্রথমবার বাংলার বিধানসভায় নেই বাম-কংগ্রেস। কিন্তু ভোটের আগে কংগ্রেসের একটি লবি থেকে এই বিধানসভায় তৃণমূল- কংগ্রেস জোট এর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা নাকচ করে দেন অধীর। উল্টে ভরসা রাখেন বিমান ব্রিগেডে।

তৃণমূলের সঙ্গে সেতুবন্ধনের বার্তা ?
কিন্তু অধীরের এই মনোভাবের কারণেই মুর্শিদাবাদে জমি হারিয়েছে কংগ্রেস, এমনটাও মত অনেকের। যার ফায়দা গিয়েছে তৃণমূলেরই ঘরে। এমনকী অনেক বিজেপি নেতাদের সঙ্গে সখ্যতা বজায় রাখলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অধীরের চির বৈরিতা বরাবরই থেকেছে খবরের শিরোনামে। এমতাবস্থায় অনেকেই বলছেন 'ভুল শুধরে' আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সঙ্গে সেতুবন্ধন গড়তেই নতুন কৌশল নিচ্ছে কংগ্রেস। আর তারই বার্তা হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র সমালোচক অধীরকে সরাতে চাইছে দল।












Click it and Unblock the Notifications