বাংলা নির্বাচনকে কেন গুরুত্ব নয়, সোনিয়ার দূতের কাছে সরাসরি প্রশ্ন ছুড়লেন অধীর
বাংলা নির্বাচনকে কেন গুরুত্ব নয়, সোনিয়ার দূতের কাছে সরাসরি প্রশ্ন ছোড়েন অধীর
কংগ্রেস হাইকম্যান্ডের বিরুদ্ধে এবার বোমা ফাটালেন প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরী। তিনি এবার সরাসরি নালিশ করলেন সোনিয়া গান্ধীর দূতের কাছে। কেন বাংলার কোনও নির্বাচনকে গুরুত্ব দেয় না হাইকম্যান্ড সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। সম্প্রচতি পুরভোটে নিজের গড় খুইয়ে তিনি হাইকম্যান্ডকে নিশানা করলেন এবার।

বাংলাকে গুরুত্বই দেওয়া হয় না নির্বাচনে
বাংলার ভোট নিয়ে হাইকম্যান্ডের মনোভাব স্পষ্ট তাঁর কাছে। বাংলার ভোটকে হাইকম্যান্ড গুরুত্ব দেয়নি বলেই দিল্লি কোনও নেতা প্রচারে আসেন না। বিধানসভাতেও হাতে গোনা সভা করে যান দিল্লির নেতারা। আর স্থানীয় নির্বাচনের সময় তো বাংলাকে গুরুত্বই দেওয়া হয় না। ফলে যা হওয়ার তা-ই হয়।

হাইকম্যান্ডের বিরুদ্ধে তোপ প্রদেশ-জেলার
বাংলাকে এতটা কম গুরুত্ব দেওয়া নিয়েই অধীর চৌধুরী মুখ খোলেন। সোনিয়া গান্ধীর দূতের কাছে তিনি ক্ষোভ উগরে দেন। সম্প্রতি সোনিয়া গান্ধীর প্রেরিত দূত তথা পর্যবেক্ষক সাংসদ চেল্লা কুমার প্রদেশ সভাপতি, রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক, সহ সভপাতি ও জেলা সভাপতিদের নিয়ে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকেই প্রদেশ ও জেলার নেতারা হাইকম্যান্ডের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন।

ব্যক্তিগত সামর্থ্যের উপর ভিত্তি করে লড়াই
সোনিয়া গান্ধীর পাঠানো দূত চেল্লা কুমারের সঙ্গে বৈঠকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী অভিযোগ করেন, বাংলার কোনও নির্বাচনেই প্রচারে হাজির হয়নি দিল্লির নেতারা। প্রদেশের অনেক হেভিওয়েট নেতাও প্রচারে গরহাজির ছিলেন সাম্প্রতির পুরসভা নির্বাচনে। তাই পুরভোটে তিনি ব্যক্তিগত সামর্থ্যের উপর ভিত্তি করে লড়াই করেছিলেন।

সরাসরি সোনিয়ার দূতের কাছেই ক্ষোভ
অধীরের কথায়, পুরভোটে যতটুকু সাফল্য এসেছে, তা ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে। তাকে দলগত সাফল্য বা প্রদেশ কংগ্রেসের সাফল্য বলা যেতে পারে না। হাইকম্যান্ডের মনোভাব থেকেই স্পষ্ট প্রদেশ কংগ্রেস নিয়ে দিল্লির নেতাদের কোনও চিন্তা নেই। দিল্লির কাছে বাংলার কংগ্রেস ক্রমেই গুরুত্ব হারাচ্ছে। তিনি সরাসরি সোনিয়ার দূতের কাছেই ক্ষোভ উগরে দেন।

দিল্লির কাছে বঙ্গ কংগ্রেস গুরুত্ব হারাচ্ছে!
অধীর চৌধুরী আরও বলেন, দিল্লির কাছে বঙ্গ কংগ্রেস গুরুত্ব হারাচ্ছে। কেন্দ্রের পর্যবেক্ষককে কাছে পেয়ে জেলা সভাপতিরাও ক্ষোভ উগরে দেন। এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয় কংগ্রেসের বৈঠকে ক্ষোভ-বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। প্রদেশ ও জেলা নেতাদের একে একে অভিযোগ জানানোর আর্জি জানান চেল্লা কুমার।

কংগ্রেসের পর্যবেক্ষকের বৈঠকে গরহাজিরা
এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য। তবে ছিলেন না আর এক সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন না আবদুল মান্নান, অমিতাভ চক্রবর্তী ও শুভঙ্কর সরকাররা। তাঁরা কেন উপস্থিত ছিলেন না, তাও জানতে চান কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক চেল্লা কুমার। এই বৈঠকের পরই অধীর চৌধুরী আনিস খান হত্যার ঘটনায় তাঁর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পর্যবেক্ষক চেল্লা কুমারকে নিয়ে।












Click it and Unblock the Notifications