ইন্দিরা গান্ধীর প্রবর্তিত 'নিয়ম' অমান্য, পদে পদে মমতার সরকারের প্রশাসনিক ব্যর্থতা নিয়ে সরব অধীর
বহরমপুরে করা সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (mamata banerjee) নিশানা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী (adhir chowdhury)। একদিকে যেমন তিvf বলেন, ছত্রিশগড় সরকার পেট্রোলের দাম কমাতে পারলেও তা প
বহরমপুরে করা সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (mamata banerjee) নিশানা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী (adhir chowdhury)। একদিকে যেমন তিvf বলেন, ছত্রিশগড় সরকার পেট্রোলের দাম কমাতে পারলেও তা পারেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগে জটিলতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। পিএসির (pac) চেয়ারম্যান নিয়োগে প্রথা অমান্য করার অভিযোগও তিনি করেছেন।

পিএসি চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়ে
অধীর চৌধুরীকে রাজ্য বিধানসভায় মুকুল রায়ে পিএসসির চেয়ারম্যান করা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলে, তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের পিএসির চেয়ারম্যান। সেখানে সিএজির রিপোর্ট ছাড়াও, খরচে যাতে কারচুপি, দুর্নীতি, ত্রুটি না হয়, সেটা দেখা হয়। বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ বলেন, সাধারণভাবে বিরোধীদের মধ্যে যাদের সংখ্যা সব থেকে বেশি তারাই পিএসির চেয়ারম্যানের পদ পায়। তিনি বলেন, ১৯২১ সাল থেকে পিএসি চালু হয়েছে দেশে। তিনি বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে পিএসির চেয়ারম্যান হতেন সরকারি দলের থেকে। কিন্তু ইন্দিরা গান্ধী প্রথম ১৯৬৭ সালে এই নিয়মের পরিবর্তনের সওয়াল করেন। তিনি সেই সময় বলেছিলেন, যারা বিপক্ষের সব থেকে বড় দল, তারাই এই পদের অধিকারী হোক। এক্ষেত্রে সেই বিরোধীদলের তরফে নাম দেওয়া হয়। নিজের কথা উল্লেখ করে অধীর চৌধুরী বলেন, সোনিয়া গান্ধীর অনুগ্রহে তিনি পিএসির চেয়ারম্যান।

প্রথা হলেও মানতে বাধ্য নন অধ্যক্ষ
অধীর চৌধুরী বলেন বিরোধী দল থেকে পিএসির চেয়ারম্যান করার প্রথা থাকলেও, তা মানতে বাধ্য নন অধ্যক্ষ। তবে প্রথা মানাটা অলংকার বলে মন্তব্য করেন তিনি। অধীর বলেন, সব কিছু আইন করে হয় না, আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সব কিছু করতে হয়।

শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে জটিলতা হল প্রশাসনিক ব্যর্থতা
উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশের পরেও স্কুল সার্ভিস কমিশনের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন চাকুরিপ্রার্থীরা। যা নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেছেন, রায় যাঁদের পছন্দ হয়নি।, তাঁরা উচ্চ আদালতে যেতে পারেন। তবে রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছে, তা প্রশাসনিক ব্যর্থতা ছাড়া আর কিছুই নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, পাঁচ বছর পেরিয়ে গিয়েছে, এবার চাকরি পেতে গিয়ে তাঁরা বুড়ো হয়ে যাবেন। এটা সরকারের দক্ষতাকে নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বলেও মনে করে তিনি।

ঘরের টাকা বন্টনের নামে গ্রামে জুলুমবাজি
এদিন অধীর চৌধুরী অভিযোগ করেন, গ্রামে গ্রামে সরকারি প্রকল্পে ঘর দেওয়ার নামে জুলুমবাজি শুরু হয়েছে। সেখানে আগে থেকেই তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যরা বলে দিচ্ছেন তৃণমূলে যোগ না দিলে সরকারি প্রকল্পে ঘর পাওয়া যাবে না। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, সরকারি টাকা মানুষের টাকা, সেখানে যেন দলবাজি না হয়।












Click it and Unblock the Notifications