নৈরাজ্য আর দুর্নীতির আবহে পঞ্চায়েত ভোট, মমতার হাত থেকে বাংলাকে বাঁচাতে আহ্বান অধীরের
সারা রাজ্যজুড়ে নৈরাজ্য চলছে। তা সত্ত্বেও নির্বিকার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আবেগ-অনুভূতি কিছুই নেই। এত বড় নিয়োগ দুর্নীতি চলছে। প্রতিদিন নতুন নতুন দুর্নীতি প্রকাশ পাচ্ছে।
সারা রাজ্যজুড়ে নৈরাজ্য চলছে। তা সত্ত্বেও নির্বিকার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আবেগ-অনুভূতি কিছুই নেই। এত বড় নিয়োগ দুর্নীতি চলছে। প্রতিদিন নতুন নতুন দুর্নীতি প্রকাশ পাচ্ছে। আমরা প্রথম দিনই বলেছিলাম হিমশৈলের চূড়া মাত্র। নৈরাজ্য আর দুর্নীতি মিলে বাংলার সলিল সমাধি ঘটাতে চলেছে।

ভ্যাট খুলছে আর দুর্গন্ধ বের হচ্ছে, দুর্নীতিতে খোঁচা
অধীর বলেন, এমনভাবেই দুর্নীতি ধরা পড়ছে যে, যেন ভ্যাট খুলছে আর দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। আর বাংলার মুখ্যমন্ত্রী নির্বিকার। এই পরিস্থিতিতে পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। নির্বাচন আসন্ন বাংলায়, তার জেরে গোটা রা্জ্যজুড়ে সন্ত্রাস চলছে। গুলি, বোমা, বন্দুক উদ্ধার হচ্ছে। কামড়াকামড়ি চলছে।

রক্তাক্ত ভোটের সাক্ষী থেকেছে বাংলা
তাই নির্বাচনের আগে বিচারকের দ্বারস্ত হওয়ার কথা জানালেন অধীর। তিনি বলেন, আমরা আগেরবারের মতো আর্জি জানাব। জানাব যে, এই আবহে ভোট হওয়া সম্ভব নয়। আমরা গতবার তৃণমূল সরকারের উপর ভরসা রেখেছিলাম। কিন্তু, রক্তাক্ত ভোটের সাক্ষী থেকেছে বাংলা। আবারও সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে চলছে।

মুখ্যমন্ত্রীকে কথা দিতে হবে, বললেন অধীর
অধীর প্রশ্ন তোলেন, এই বাংলায় আর কত রক্ত ঝরবে। মুখ্যমন্ত্রীকে কথা দিতে হবে নির্বাচনে রক্ত ঝরবে না। নির্বিঘ্নে ভোট হবে। নাহলে বাংলার মানুষকে ধরে নিতে হবে, বাংলায় ভোট মানেই রক্ত ঝরবে। আমরা বিচারকের কাছে গিয়ে দরবার করে বলব, কেন্দ্রীয় বাহিনী চাই। আমরা জানি নির্বাচন কমিশন না চাইলে এটা হয় না। তারপরও আমরা যাবো।

বাংলাকে রক্ষা করার জন্য সর্বস্তরের মানুষের কাছে আহ্বান
এদিন সরকারি কর্মীদের ডিএ নিয়েও মুখ খোলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলুন, কেন ডিএ নিয়ে আন্দোলন। কেন স্কুল-কলেজে পড়াশোনা হচ্ছে না। মিড ডে মিলে কেন দুরবস্থা। এই বাংলাকে রক্ষা করার জন্য সর্বস্তরের মানুষের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি। আপনারা জবাব দিন।

ডিএ আন্দোলনে আমরা সরকারি কর্মীদের পাশে অধীর
অধীর বলেন, ডিএ আন্দোলনে আমরা সরকারি কর্মীদের পাশে আছি। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ডিএকে ভোট ব্যাংক হিসাবে দেখেন। তাই, আর্থিক সহযোগিতায় বাজেটের মাধ্যমে দেখাচ্ছেন কুমীরের ছানার মতো। ডিএ সকলের অধিকার। কোনো সরকার এটা অস্বীকার করতে পারে না। আমরা তাই এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সিভিল থেকে পুলিশ বানাতে আপত্তি নেই, তবে...
বাংলায় পুলিশের পদ কত খালি রয়েছে। সরকার শূন্যপদ পূরণ করছে না। বাংলায় আরও থানা দরকার, পুলিশ দরকার। জনসংখ্যা বাড়ছে। অপরাধও বাড়ছে। প্রায় ৬০-৭০ হাজার পদ খালি রয়েছে। সিভিল থেকে পুলিশ বানাতে আপত্তি নেই। তার জন্য ট্রেনিং-সহ যাবতীয় ব্যবস্থা করুক। আর তারা যেন আজ্ঞাবহ না হয়। আমরা চাই পুলিশের নিয়োগ হোক।

বাংলার যুবকের কাছে গাজর ঝুলিয়ে দিয়ে প্রতারণা
অধীর বলেন, বাংলার যুবকের কাছে গাজর ঝুলিয়ে দিয়ে প্রতারণা করা হচ্ছে। ৯ হাজার টাকা বেতনে সংসার চালাতে হয় এদের। গ্রামীণ এলাকায় সরকারি পোশাকে তোলাবাজির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এদের। পুলিশ পিছনে থাকে। সামনে থেকে এরা তোলা তোলার কাজ করে।












Click it and Unblock the Notifications