তৃণমূল ভিলেজ পার্টিতে পরিণত হবে, জাতীয় তকমা হারানো নিয়ে মমতাকে খোঁচা অধীরের

তৃণমূল কংগ্রেস সর্বভারতীয় স্তরে প্রতীক হারিয়ে ফেলেছে। আগামীদিনে রাজ্যেও মর্যাদা থাকবে না তৃণমূলের। নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের জাতীয় দলের তকমা কেড়ে নেওয়ার পর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী এই ভাষাতেই গর্জে উঠলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের একটা গাইড লাইন মানলে পার্টির জাতীয় তকমা থাকে। ভারতবর্ষে প্রথম ভোট হয়েছিল ১৯৫২ সালে। তখন ১৪টি ন্যাশনাল পার্টি ছিল। মানুষের ভোট পেলে জাতীয় দলের স্বীকৃতি থাকবে, নচেৎ থাকবে না। এই তো নিয়ম। সেই গাইড লাইন রক্ষা করতে পারেনি তৃণমূল।

Adhir Chowdhury

অধীরের কথায়, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল পার্টিরও একই অবস্থা হবে। ভারতবর্ষের মানুষ তাঁদের প্রত্যাখ্যান করেছে। তাই জাতীয় দলের তকমা হারিয়েছে। দিদি চেয়েছিলেন, জাতীয় রাজনীতির নায়িকা হতে। কিন্তু ভারতবর্ষের মানুষ তা চাননি। ত্রিপুরা, গোয়া-সহ ভিনরাজ্যের মানুষ তাঁকে জাতীয় রাজনীতির সর্বাধিনায়িকা হিসেবে চাননি।

অধীর বলেন, আগামীদিনে রাজ্যেও তাঁদের মর্যাদা থাকবে না। রাজ্য দলের মর্যাদা পেতে গেলে সেখানেও ৬ শতাংশ ভোট পেতে হয়। আজকে তৃণমূল দল সর্বভারতীয় স্তরে ওদের প্রতীক হারিয়ে ফেলেছে। কালকে রাজ্যস্তরে প্রতীক হারিয়ে ফেলবে। তৃণমূল জেলার পার্টি তারপরে ভিলেজ পার্টিতে রূপান্তরিত হবে।

Adhir Chowdhury

অধীর চৌধুরী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের সরকার মানুষের দাবি শুনতে চায় না। এটা আসলে একটি বিবেকহীন, সহানুভূতিহীন সরকার। তাই তো সুবিচারের জন্য মানুষ হাহাকার করছে রাজ্য। এমনকী বিচারের জন্য যন্তর-মন্তরে পর্যন্ত গিয়েছেন তাঁরা। এ প্রসঙ্গেই তিনি কটাক্ষ করেন, দিদি বাংলার বঞ্চনার জন্য কলকাতা পর্যন্ত আন্দোলন করে কেন থেমে গেলেন?

তিনি আরও বলেন, আপনার দলের চোরদের বাঁচানোর জন্য হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্টে কোটি কোটি টাকা খরচ করছেন আপনি। ডিএ ঠেকানোর জন্য আপনি কোর্টের দোরগোড়ায় গেলেন। চোরকে ঠেকানোর জন্য আপনি কোর্টে টাকা দেবেন অথচ চোরকে ধরবেন না, এই তো আপনার নীতি। আমরা বিশ্বাস, সুপ্রিম কোর্ট নিশ্চয় ডিএ আন্দোলনকারীদের পক্ষে রায় দেবেন।

Adhir Chowdhury


অধীর বলেন, বাংলাতে আজকে নিরাপত্তা কোথায়? বাংলাতে আজকে কারও নিরাপত্তা নেই। বাংলাতে আজকে শুধুমাত্র ভাইপোর নিরাপত্তা আছে। দিদি শুধু ভাইপোর নিরাপত্তা নিয়েই চিন্তিত। খোকাবাবুকে কেউ যেন টাচ করতে না পারে তার জন্যই দিদি চিন্তিত থাকেন।

অধীর বলেন, সাগরদিঘি উপনির্বাচনে মানুষের দোয়া ও আশীর্বাদে ঐতিহাসিক জয় হাসিল করেছে কংগ্রেস। সেই জয়কে সাগরদিঘি সর্বস্তরের মানুষ মেনে নিলেও বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানতে পারছেন না। তাই প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে চাইছেন। সাগরদিঘির মানুষের সঙ্গে দ্বিচারিতা করা হচ্ছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+