ফেলেইরোকে ঢাল করে মমতা চেয়েছিলেন জাতীয় রাজনীতির নায়িকা হতে! কটাক্ষ অধীরের

তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ পদ থকে ইস্তফা দিয়েছেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফেলেইরো। মাত্র এক বছর কয়েক মাসেই তৃণমূলের সাংসদ হিসেবে পথ চলা শেষ হল প্রাক্তন এই কংগ্রেস নেতা। মঙ্গলবার তাঁর ইস্তফার পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন অধীর চৌধুরী।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফেলেইরোকে উত্তর-পূর্ব ভারতে কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করছিলেন। তাঁকে ভাঙিয়ে তৃণমূলে নিয়ে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছিলেন কংগ্রেসকে দুর্বল করে বিজেপিকে সুবিধা করে দিতে। সেইসঙ্গে ভিনরাজ্যে যদি দু-একটা আসন জিতে জাতীয় তকমা টিকিয়ে রাখতে।

Adhir Chowdhury

অধীরের আরও অভিযোগ গোয়াতে কংগ্রেসকে ভাঙাতে কাজে লাগানো হয়েছিল ফেলেইরোকে। তা করেওছিলেন। তাতে ক্ষতি হয়েছে কংগ্রেসের। কিন্তু নিজেদের কোনো ফায়দা হয়নি। বিজেপি জিতে বেরিয়ে গিয়েছে। আবার তাঁকে দিয়েই মেঘালয়ে ১২ জন বিধায়ককে ভাঙিয়ে নিয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু সম্প্রতি নির্বাচনে বিধায়কদের গড়ও রক্ষা করতে পারেনি।

অধীরের কথায়, এখন তৃণমূলের কাছে ব্রাত্য লুইজিনহো ফেলেইরো। তাঁকে আর কোনো প্রয়োজনেই লাগবে না। তাই তাঁকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হল। তাঁর রাজ্যসভার সাংসদ পদ কেড়ে নেওয়া হল। ফায়দা লোটার জন্য গুরুত্ব বাড়াতে এক সাংসদকে সরিয়ে তাঁকে রাজ্যসভায় নিয়ে গিয়েছিল তৃণমূল।

Adhir Chowdhury

অধীর বলেন, আবারও স্বার্থ বুঝে লুইজিনহো ফেলেইরোর বদলে আরও একজনকে রাজ্যসভায় পাঠানো হবে। আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছিলেন ভিনরাজ্যে শক্তি বাড়িয়ে জাতীয় রাজনীতির নায়িকা হতে। কিন্তু ভারতবর্ষের মানুষ তা চাননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে গোয়া-ত্রিপুরার মানুষ।

অধীর বলেন, ত্রিপুরা, গোয়া তথা ভিনরাজ্যের মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জাতীয় রাজনীতির সর্বাধিনায়িকা হিসেবে চাননি। ভারতবর্ষের মানুষ তাঁকে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাই আজ জাতীয় দলের তকমা হারিয়েছে। একইসঙ্গে দিদির জাতীয় রাজনীতির নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছে।

Adhir Chowdhury

অধীর চৌধুরী বলেন, আগামীদিনে রাজ্যেও তাঁদের মর্যাদা থাকবে না। রাজ্য দলের মর্যাদা পেতে গেলে সেখানেও ৬ শতাংশ ভোট পেতে হয়। আজকে তৃণমূল দল সর্বভারতীয় স্তরে ওদের প্রতীক হারিয়ে ফেলেছে। কালকে রাজ্যস্তরে প্রতীক হারিয়ে ফেলবে। তৃণমূল জেলার পার্টি তারপরে ভিলেজ পার্টিতে রূপান্তরিত হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের একটা গাইড লাইন থাকে। সেই গাইডলাই মেনে মানুষের ভোট পেলে জাতীয় দলের স্বীকৃতি থাকবে, নচেৎ থাকবে না। এই তো নিয়ম। সেই গাইড লাইন রক্ষা করতে পারেনি তৃণমূল। তাই এখন নাচন-কোঁদন করে কোনো লাভ নেই।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+