Adhir Chowdhury: শামিকে নিয়ে কি বিজেপি নেতাদের মত পাল্টেছে? মোদীর পাশাপাশি তৃণমূলকেও নিশানা অধীরের
Adhir Chowdhury: বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে পাঁচ উইকেট নিয়ে এখন হিরো মহঃ শামি। ভারতের এই সফল বোলারকে নিয়েই বিজেপিকে নিশানা করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। পাশাপাশি তিনি শাসক তৃণমূলকেও নিশানা করেছেন।
বিশ্বকাপের হাই ভোল্টেজ ম্যাচে বিজেপির নেতারা বসে থাকছেন গ্যালারিতে। এব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, শামিকে নিয়ে বিজেপি নেতাদের মতামত কি পাল্টে গিয়েছে? সাত উইকেট নেওয়া শামিকে বিজেপি নেতাদের ভালো লাগছে নাকি মোদির কথার কথা অনুযায়ীদের লুঙ্গি বলা ভাল লাগছে।

অধীর চৌধুরী বলেন, বুধবার নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে সেমিফাইনালে ভারতকে জেতাতে বিরাট কোহলির পর সব থেকে বড় ভূমিকা গ্রহণ করেছিল মহঃ শামি। আর সেই শামিকে এই বিজেপির নেতা নরেন্দ্র মোদী, মোটামুটি সন্ত্রাসবাদী বানিয়ে দিয়েছিল বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদী। তিনি প্রশ্ন করেন, শামি যখন দেশকে জেতাচ্ছেন, সেই সময় মোদী কি তাঁর অবদান স্বীকার করবেন?
অধীর চৌধুরী তৃণমূলকে নিশানা করতে গিয়ে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে গরু পাচার কেন সব কিছুর পাচারের সঙ্গে তৃণমূল এখন জড়িত গিয়েছে। আর বিএসএফের একটা অংশের সঙ্গে যদি চোরাকারবারিদের যোগসাজস না থাকে তাহলে গরুপাচার সম্ভব নয়। তিনি বলেন, গোটা রাজ্য জুড়ে তো বিএসএফ পাহারা দেয় না। এব্যাপারে পুলিশের জড়ির থাকার ব্যাপারেও ইঙ্গিত করেন অধীর চৌধুরী।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, পুলিশ তৃণমূল দলটাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। তৃণমূলের কে নেতা হবে, কে প্রধান হবে, মারামারি লাগলে-ঝগড়া লাগলে সব মিটিয়ে দিচ্ছে পুলিশ। পুলিশ এবং প্রশাসন এই দুটো দিদির সবথেকে বড় হাতিয়ার। তিনি আরও বলেন, দিদি আজকাল তাঁর নেতা-কর্মীদের ওপরে ভরসা করতে পারেন না। ভরসা করেন জেলার ডিএম এবং এসপির ওপরে। আর নিচের দিকে আইসিদের ওপরে।
এদিন ফের একবার অধীর চৌধুরী দাবি করেন, জয়নগরে তৃণমূলের লোকেরা খুন করেছে বলেই পুলিশ তাদের ধরছে না। জয়নগর থেকে ডায়মন্ডহারবার সব জায়গায় পুলিশ ব্যর্থ বলে অভিযোগ করেন তিনি। আমহার্স্ট স্ট্রিট থানায় পুলিশের লকআপে একজনের মৃত্যু প্রসঙ্গে অধীর চৌধুরী বলেন, অনেক জায়গাতেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। এব্যাপারে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রেসিডেন্সি জেলে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের অসুস্থতা প্রসঙ্গে অধীর চৌধুরী বলেন, তিনি চান, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সুস্থ হয়ে উঠুন। জেলখানার খাবার ভাল বলে মন্তব্য করে অধীর চৌধুরী বলেন, ওদের কাজ হল ডাল-রুটি খাওয়া আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুণগান গাওয়া।












Click it and Unblock the Notifications