তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে কংগ্রেস, বাংলায় কী হবে সমীকরণ অধীর-বার্তায় জল্পনা

নীতীশ কুমারের ডাকে সাড়া দিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূল উভয়েই জোট বৈঠকে শামিল হতে চলেছে। আগামী ১২ জুন বিহারের রাজধানী পাটনায় এই বৈঠকে কংগ্রেস ও তৃণমূল একই মঞ্চে হাজির হলেও বাংলায় যে সমীকরণে কোনো হেরফের হবে না তা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।

কর্নাচক নির্বাচনে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করার পরও কংগ্রেসকে ২০০ আসনে শর্তসাপেক্ষে সমর্থনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখনও অধীর চৌধুরী জানিয়েছিলেন, কংগ্রেস বাংলায় লড়াই চালিয়ে যাবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আবারও একই কথার পুনরাবৃত্তি করে তিনি জানিয়ে দিলেন বাংলায় রাজনৈতিক সমীকরণে কোনো হেরফের হবে না।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে কংগ্রেস

পাটনায় জোট বৈঠক চূড়ান্ত হওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অধীর চৌধুরী বলেন, তৃতীয় পক্ষ যদি বৈঠক ডাকে সেখানে তো যেতে হবেই। কংগ্রেস যাবে। জাতীয় স্বার্থে সেখানে বিরোধী ঐক্য গড়ে উঠতেই পারে। কিন্তু বাংলার স্বার্থ আলাদা। এখানে কংগ্রেসের অস্তিত্বের প্রশ্ন। সেই অস্তিত্বের লড়াইয়ে বাংলার সূচাগ্র জমি ছাড়বে না।

বাংলায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের লড়াই আগেও যেমন ছিল, এখনও তা অব্যাহত থাকবে। বাংলায় যেমন তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই, তেমনই দিল্লিতেও আর এক অপশাসন চালিয়ে যাওয়া বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই। উভয় লড়াই-ই কংগ্রেস চালিয়ে যাবে শক্তহাতে।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে কংগ্রেস


অধীর চৌধুরী এদিন আবারও বাংলায় কর্মীদের মনোবল বাড়াতে বলেন, আমরা অবশ্যই লড়ব, কর্মী-সমর্থকরা নিরাশ হবেন না। আমাদের লড়াই জারি আছে, জারি থাকবে। যেখানে যেমন প্রয়োজন, সেখানে তেমন লড়াই করব আমরা। জাতীয় স্বার্থে তৃণমূলকে জোটে শামিল হতে গেলে কংগ্রেসের নেতৃত্ব মেনে নিতে হবে।

অধীর এর আগে বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস জেতার পর মনে করছেন, কংগ্রেসের সঙ্গে আপোশ না করে জাতীয় রাজনীতিতে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারবেন না। তাই জোট প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু তিনি বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতে কী কী করেছেন, তা কংগ্রেস কর্মীরা ভোলেননি।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে কংগ্রেস

অধীর বলেন, কর্নাটক নির্বাচনের আগে উনি একবারও বলেছিলেন বিজেপিকে হারাতে কংগ্রেসকে ভোট দেওয়ার কথা বলেনি। রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রাকে যখন সমস্ত বিরোধী নেতা-নেত্রীরা প্রশংসা করেছেন, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নীরব ছিলেন। গোয়া থেকে শুরু করে ত্রিপুরা, মেঘালয়ে কংগ্রেসকে ভেঙে বিজেপির সুবিধা করে দিয়েছেন।

কংগ্রেস বেশিরভাগে রাজ্যে বিজেপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। অন্তত ৩০০ আসনে কংগ্রেসের সঙ্গে সরাসরি লড়াই বিজেপির। তাই কংগ্রেসকে ছাড়া বিরোধী জোটের কোনো মূল্য নেই। তৃণমূল এর আগে জানায়, মাত্র ২০০ আসনে শক্তিশালী কংগ্রেস, সেই ২০০ আসনে কংগ্রেসকে সমর্থন করবে তৃণমূল। পাল্টা মমতা শর্ত দিয়েছিলেন, তৃণমূল যেখানে শক্তিশালী, সেখানে কংগ্রেসকে সমর্থন করতে হবে!

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+