রানিনগরে বোর্ড গঠনে স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট, তারপরেই দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে লালবাগ জেলে অধীর চৌধুরী
মুর্শিদাবাদ জেলার রানীনগরের ৩৬জন কংগ্রেসের নেতৃত্ব কে গ্রেফতার করেছে পুলিস থানা ভাঙচুরের ঘটনায়। এবার তাদের সঙ্গে দেখা করতে মঙ্গলবার দুপুরে লালবাগ জেলে হাজির হলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।
মিথ্যা মামলায় ধৃত রানীনগর পঞ্চায়েত সমিতিতে কংগ্রেসের নির্বাচিত সভাপতি কুদ্দুস আলি'র সঙ্গে দেখা করতে আজ লালবাগ উপ সংশোধনাগারে গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

গতকাল কলকাতা হাইকোর্ট রানিনগরের ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠনে স্থগিতাদেশ জারি করেছে। বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে আবেদন করেছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। সেই মামলার শুনানি ছিল গতকাল। তাতেই বিচারপতি অমৃতা সিনহা বোর্ড গঠনে অন্তর্বর্তি স্থগিতাদেশ জারি করেছে।
রানিনগর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের ৩৬ জন কংগ্রেস সদস্য জেলে রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে থানা ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বোর্ড গঠনের ভোটাভুটি করানো সম্ভব নয় দাবি করেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতিরা। আদালত তাঁদের পক্ষেই রায় দিয়েছেন। গতকাল রায় শোনার পর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেছেন, সব অন্যায়ের বিচার হবে। তারপরেই আজ তিনি লালবাগের জেলে কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে যান।
জাতীয় স্তরে যখন তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস একজোট হয়ে লড়াইয়ের পথে নামছে তখন রাজ্য শাসক দলের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করে চলেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জি-২০ সামিটে নৈশভোজের আসরে যোগ দেওয়া নিয়েও কটাক্ষ করেছেন। অমিত শাহের পাশে বসে নৈশ ভোজ সেরেছেন বলে দাবি করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি।












Click it and Unblock the Notifications