Adhir Chowdhury: তৃণমূলকে ফের সার্কাসের দল বলে নিশানা! BJP-র বিরুদ্ধে ১০ লক্ষ কোটির দুর্নীতির অভিযোগ অধীরের
Adhir Chowdhury: ফের একবার তৃণমূলকে সার্কাসের দল বলে নিশানা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। এদিন তিনি বহরমপুরে করা সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, এখন সার্কাস দলের জোকারের অভাব নেই। একেক জকার একেক রকম কাজ করে হাসির খোরাক তৈরি করছে। এদিন তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে দশ লক্ষ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ এনেছেন।
এদিন তিনি বলেন, রাজ্য কেন দিচ্ছ না এবং কেন্দ্র কেন দিচ্ছে না, এগুলো রাজ্য এবং কেন্দ্র উভয়ই জানে, তাদেরকে এগুলোর মধ্যে অংশগ্রহণ করতে হয় না। দিল্লিতে যারা আছে, তারা কেন টাকা দিচ্ছে না, রাজ্যে যারা রয়েছে তারা টাকা আদায় করতে কতটা প্রচেষ্টা করতে তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। মাঝখান থেকে গরিব মানুষ মারা যাচ্ছে, বলেছেন তিনি।

মোদী ও দিদি এই লড়াইয়ে বাংলার সাধারণ মানুষেরা ১০০ দিনের কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ভারতবর্ষের সব রাজ্যে যেখানে ১০০ দিনের কাজে গরিব মানুষরা সুযোগ পাচ্ছে সেখানে বাংলা কেন বাদ থাকছে? কারণ মোদী বলছে আমি কম নই আক দিদি বলছে আমিও কম নই।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, বিশেষজ্ঞরা বলছে ইভিএমটাকে বদলানো উচিত ইউরোপ-আমেরিকা সেখানেও ইভিএম বাদ দিয়ে ব্যালট বাক্সে ভোট দিচ্ছেন। ইভিএম যদি রাখতে হয়, তাহলে ইভিএম এর সঙ্গে ভিভি প্যাডকে অবশ্যই রাখতে হবে বলে দাবি করেছেন তিনি।
অধীর চৌধুরী বলেন, নির্বাচন আসছে তাই আজকে তৎপর হয়ে গিয়েছে ইডি। তারা এখন মোদীর কথায় ইডিয়টের মতো কাজ করবে, ভয় দেখাবে, লোকের কাছে প্রমাণ করবে বিজেপি বাদ দিয়ে বাকি সবাই চোর। আর বিজেপি সব সাধু দল। তিনি চ্যালেঞ্জ করে বলেন, বিজেপির বিরুদ্ধে তদন্ত করার সুযোগ দিক, তাহলে তারা তদন্ত করে দেখিয়ে দেবেন সাড়ে ১০ লক্ষ কোটি টাকা মোদীর কাছ থেকে ছাড় পেয়ে গিয়েছে বিভিন্ন সংস্থা।
রাম মন্দিরের পর সিএএ চালু করা প্রসঙ্গে অধীর চৌধুরী বলেন, সে তো চালু আছে। নতুন করে আর কী চালু করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, আজকে চার বছর হয়ে গেল রুল তৈরি করতে পারেনি তারা। এখন ভোটের আগে ধোঁকা দেবেন। সিএএ তো আইন হয়ে গিয়েছে অনেক আগেই। অসমে গিয়ে কি এই কথা বলতে পারবেন যে, তারা সিএএ চালু করছেন। সিএএ অর্থাৎ নাগরিক আইনের অধিকার দেওয়ার ক্ষমতা ভারতবর্ষে ন'টি রাজ্যের মুখ্যসচিব ও জেলাশাসককে ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications