বাংলায় সিএএ লাগু হবেই! সুকান্তের হুঁশিয়ারিতে তৃণমূলের সঙ্গে গর্জে উঠলেন অধীরও

বাংলায় সিএএ লাগু হবেই! সুকান্তের হুঁশিয়ারিতে তৃণমূলের সঙ্গে গর্জে উঠলেন অধীরও

২০২১-এর বিধানসভার আগে সিএএ নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিল বিজেপি। কিন্তু ২০২২-এ রাজ্যের ১০৮ পুরসভা নির্বাচনের আগে ফলাও করেন বিজেপি প্রচার শুরু করে দিয়েছে- এবার বাংলায় সিএএ কার্যকর হবে। শনিবার পুরসভার প্রচারে বেরিয়ে স্বয়ং বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দাবি করলেন, বাংলায় সিএএ চালু হবেই।

বাংলায় সিএএ লাগু হবেই! সুকান্তের হুঁশিয়ারিতে তৃণমূলের সঙ্গে গর্জে উঠলেন অধীরও

সিএএ নিয়ে জোরালো দাবি পেশে করে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, রাজ্য সরকারের সম্মতি থাকুক বা না থাকুক রাজ্যে সিএএ কার্যকর করেই ছাড়বেন তাঁরা। মুর্শিদাবাদে গিয়ে তিনি সিএএ লাগুর দাবিতে সরব হলেন। তাঁর কথায়, মুর্শিদাবাদ একটি বিশেষ জেলা। পূর্ব পাকিস্তান থেকে এই জেলা ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তাই মুর্শিদাবাদবাসীকে সতর্ক থাকতে হবে। বুঝতে হবে পরিস্থিতি।

সুকান্ত মজুমদার বলেন, এখনও যদি নিজেরা নিজেদের ভবিষ্যৎ বুঝতে ভুল করেন, তবে ভবিষ্যৎ হবে অন্ধকার। তিনি বলেন রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়কে বিষযটি বুঝতে হবে। বুঝতে হবে তাঁদের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যেতে চলেছে। তারা যদি তা না বোঝেন, তবে কিছুদিনের মধ্যে দেখতে পাবেন কত বড় বিপদ লুকিয়ে রয়েছে।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি মুর্শিদাবাদের মানুষকে স্পষ্ট করেই বলে দেন, পরিস্থিতি বুঝে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন। তা না হলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যাবে। সুকান্ত মজুমজার এদিন এই ঢঙেই প্রচার সারেন। তাঁর প্রচার-পর্বে বারবার উঠে আসে সম্প্রদায়গত বিভাজনের কথা। তিনি ইঙ্গিত করেন সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়কে সতর্ক থাকতে। তাঁদের ভোট প্রার্থনা করেন।

সুকান্তবাবুর এই প্রচার-পর্ব ও সিএএ দাবির তীব্র বিরোধিতা করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, ভাটোর বাজারে সাম্প্রদায়িক সুড়সুড়ানি দিচ্ছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্তের সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের বিরোধিতা করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, যতটুকু জানি সিএএ দু-বছর আগে পাস হয়ে গিয়েছে। এতদিন ক্ষমতা হয়েছে চালু করার।

অধীর চৌধুরী বলেন, বাংলার কথা বাদ দিন। বাংলাটা ওদের রাজ্যই নয়। বিজেপিশাসিত রাজ্যেই ওরা এখনও চালু করতে পারেনি। বিজেপি নিজের রাজ্যেই লুগু কতে ব্যর্থ। এখন ভোটের মুখে সিএএ কার্যকর করার কথা বলে বাজার গরম করছে। ওরা শুধু ফালতু কথা বলে, সাম্প্রদায়িক উসকানি দেয়। ক্ষমতা থাকলে চালু করে দেখাক।

শুধু অধীর চৌধুরীই নয়, সুকান্ত মজুমদারের সিএএ দাবি নিয়ে গর্জে ওঠেন তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেনও। বিজেপি গণতান্ত্রিক পদ্ধতির যে তোয়াক্কা করে না, তা তাদের রাজ্য সম্পাদকের কথাতেই স্পষ্ট। রাজ্যগুলির কোনও গুরুত্ব তাদের কাছে নেই। তাই তিনি বলতে পারলেন রাজ্যের সরকারকে এড়িয়েই তাঁরা সিএএ লাগু করবে। সাহস থাকলে সংসদে দাঁড়িয়ে একথা বলুন রাজ্য সভাপতি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+