Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালি বিতর্কের মধ্যেই পুলিশে রদবদল, সরলেন দক্ষিণবঙ্গের এডিজি এবং বারাসতের ডিআইজি
Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে রাজ্যজুড়ে বিতর্কের ঝড়! আর সেই বিতর্কের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গের এডিজি পদে রদবদল। সরিয়ে দেওয়া হল বারাসতের ডিআইজিকেও। এই দুই পুলিশ কর্তার নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই পড়ে সন্দেশখালি এলাকা। আর সেই এলাকাকে কেন্দ্র করেই যত কাণ্ড! রীতিমত মুখ পুড়ছে শাসকদলের। আর এরপরেই রাজ্য পুলিশের এই রদবদল।
যা খুবই (Sandeshkhali Incident) গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের এডিজি পদে ছিলেন সিদ্ধিনাথ গুপ্তা। গত ৩১ জানুয়ারি তাঁকে ওই পদে নিয়ে আসা হয়। সন্দেশখালির ঘটনার পরেই কার্যত এলাকায় পড়ে ছিলেন তিনি। মানুষের ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছিলেন। তাঁকেই এদিন সরিয়ে দেওয়া হল। বদলির ঠিক ১৭ দিনের মাথায় তাঁকে ফের বদল করা হল।

সেই পদে অর্থাৎ দক্ষিণবঙ্গের এডিজি পদে আনা হল সুপ্রতিম সরকারকে। রাজ্য পুলিশের ট্র্যাফিক ও রোড সেফটির এডিজি ও আইজিপি পদে ছিলেন সুপ্রতিম সরকার। উল্লেখ্য, সন্দেশখালির ঘটনার পর এলাকায় তাঁকে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে থেকে কাজ করছিলেন। এবার দক্ষিণবঙ্গের এডিজি পদে আনা হল সুপ্রতিম সরকারকে।
এর আগে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার পদে ছিলেন। বাগুইআটিতে দুই স্কুল পড়ুয়া খুনের ঘটনায় উত্তাল হয় বাংলা। আর এরপরেই ওই পদ থেকে সুপ্রতিম সরকারকে সরিয়ে দেওয়া হল। অন্যদিকে বারাসতের ডিআইজি সুমিত কুমারকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এদিন।
সেই জায়গায় নিয়ে আসা হল আইপিএস ভাস্কর মুখোপাধ্যায়কে। মালদহ রেঞ্জের ডিআইজি পদে ছিলেন তিনি। সেখান থেকে বারাসতের ডিআইজি করে আনা হল ভাস্কর মুখোপাধ্যায়কে। অন্যদিকে বারাসত ডিআইজি পদে থাকা সুমিত কুমারকে পাঠানো হল ডিআইজি নিরাপত্তা পদে। যা অপেক্ষাকৃত অনেকটাই কম গুরুত্বপূর্ণ পদ বলে জানা গিয়েছে।
এছাড়াও রাজ্য এবং কলকাতা পুলিশের একাধিক পদে রদবদল এদিন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নবান্নের দাবি, এটি স্বাভাবিক রুটিন বদলি। এর মধ্যে কোনও বিতর্ক নেই। অন্যদিকে সন্দেশখালি এখন অনেকটাই শান্ত বলে পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছে। এমনকি অশান্তির কোনও খবর নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।
এলাকায় মহিলা পুলিশের পর্যাপ্ত বাহিনী রয়েছে। নির্ভয়ে মহিলারা যাতে অভিযোগ জানাতে পারেন সেই বার্তা দেওয়া হয়েছে রাজ্য পুলিশের তরফে। তবে ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত শিবুকে কেন ধরা হচ্ছে না এখনও তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে পুলিশের দাবি, পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।












Click it and Unblock the Notifications