বোমা ফাটিয়ে বিজেপির সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করলেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়! তাহলে কি তৃণমূলের পথে?
বিজেপির সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করলেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। গত বিধানসভা নির্বাচনে বঙ্গ বিজেপির হয়ে লড়াই করেছিলেন তিনি। বেহালার মতো তৃণমূলের শক্তঘাঁটি থেকে লড়াই করেন তিনি। কিন্তু পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে
বিজেপির সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করলেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। গত বিধানসভা নির্বাচনে বঙ্গ বিজেপির হয়ে লড়াই করেছিলেন তিনি। বেহালার মতো তৃণমূলের শক্তঘাঁটি থেকে লড়াই করেন তিনি। কিন্তু পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে হার মানতে হয় তাঁকে।
শুধু তাঁকেই নয়, নির্বাচনে প্রবল তৃণমূল ঝড়ের কাছে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়ে গোটা বঙ্গ বিজেপি শিবির। আর এরপর থেকেই একের পর এক বিজেপি নেতা দূরে সরে গিয়েছে। এমনকি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলের পথে একাধিক বিধায়ক। এবার কি সেই তালিকাতেই জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী? উঠছে প্রশ্ন।

বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপতে যোগ!
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগেই বিজেপিতে যোগ দেন শ্রাবন্তী। মুকুল-দিলীপদের হাত ধরেই বিজেপিতে আসেন তিনি। ভোটে প্রার্থীও করা হয় তাঁকে। খোদ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের খাস তালুক বেহালতে প্রার্থী করা হয় তাঁকে। কিন্তু বেহালা পশ্চিম কেন্দ্রে তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লজ্জাজনক হার হয় শ্রাবন্তীর। প্রায় ৫০ হাজার ৮৮৪ ভোটে হারতে হয় তাঁকে। ভোট প্রচারে নিজেকে বেহালার ঘরের মেয়ে হিসাবে প্রমোট করতে কোনও খামতি রাখেননি শ্রাবন্তী। কিন্তু তাও ভাগ্য ফেরে না!

পার্থের ফোন শ্রাবন্তীকে
৫০ হাজারেও বেশী ভোটে হার। আর এরপরেও সৌজন্যের রাজনীতি দেখান পার্থ। ভোট পর্ব মিটে যাওয়ার পরেই শ্রাবন্তীকে ফোন করেন পার্থ। এলাকার উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার প্রস্তাব দেন। আর বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদের মাস্টারস্ট্রোক কাজ করে যায়। সৌজন্যের রাজনীতি দেখে কিছুটা হলেও মন গলে যায় অভিনেত্রীর। আর সেই সময় থেকেই বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়। ভোটের পর থেকে শ্রাবন্তীকে বিজেপিতে আর দেখা যায়নি। বরং তৃণমূলের নেতা-নেত্রীদের কাছাকাছি থাকতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।

নগরীর-নটি মন্তব্য
ভোটের আগে ইয়াস সহ একাধিক অভিনেত্রী-অভিনেতা যোগ দেন বিজেপিতে। কিন্তু খেলা ঘুরতেই আর এর অনেকেই বিজেপিমুখি হননি। আর এই অবস্থা দেখে সরাসরি মুখ খুলেছিলেন তথাগত রায়। নগরীর নটি মন্তব্য করেছিলেন তিনি। আর তাতেও বিজেপির তারকাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। তথাগত রায়ের এহেন মন্তব্যের পরেই অনেকেই দল ছাড়েন। সেই সময়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন শ্রাবন্তীও। তখন দল না ছাড়লেনও অবশেষে সেই পথেই জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।

ফেসবুকে বোমা অভিনেত্রীর
অবশেষে বিজেপির সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করলেন শ্রাবন্তী। একেবারে সোশ্যাল মিডিয়াতে বোমা ফাটিয়ে দল ছাড়লেন তিনি। দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করে শ্রাবন্তী টুইটে লেখেন, 'বাংলার উন্নয়নের জন্য বিজেপি আন্তরিক নয়। বাংলার জন্য কাজ করার মনোভাবের অভাব রয়েছে তাদের।'

আমন্ত্রণ জানিয়ে ছিলেন মমতা!
গোট কয়েকদিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকাক বিজয়া সম্মেলনিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল শ্রাবন্তীকেও। কিন্তু তিনি যাননি। বিজেপি রয়েছেন বলেই তিনি নাকি যাননি। এমনটাই শোনা যায়। তবে এই অনুষ্ঠানে আরও বেশ কয়েকজন বিজেপি নেত্রীকে দেখা গিয়েছিল। তবে জল্পনা ছড়িয়েছে এবার কি তৃণমূলের পথেই শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়।












Click it and Unblock the Notifications