২০২১-কে সামনে রেখে তৈরি হচ্ছে রণনীতি! দুর্গাপুরে চিন্তন বৈঠকে কোন কৌশল স্থির করতে চলেছে বিজেপি
লোকসভা নির্বাচনে দলের সাফল্য এসেছে। কিন্তু সংগঠনের যা অবস্থা তাতে করে ২০২১-এর নির্বাচনে তৃণমূলের সঙ্গে লড়াই করলেও সাফল্য কতটা আসবে, তা নিয়ে সংশয়ে অনেকে।
লোকসভা নির্বাচনে দলের অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছে। কিন্তু সংগঠনের যা অবস্থা তাতে করে ২০২১-এর নির্বাচনে তৃণমূলের সঙ্গে লড়াই করলেও নির্দিষ্ট লক্ষ্যে কতটা পৌঁছনো যাবে, তা নিয়ে সংশয়ে অনেকেই। সেই পরিস্থিতিতে দলের রণনীতি ঠিক করতে বৈঠকে বসেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। দুর্গাপুরে হওয়া এই বৈঠক শনিবারের পর চলবে রবিবারেও। বিজেপি নেতাদের বিশ্বাস জনগণকে সঙ্গে করেই সাফল্য আসবে।
দিনের সেরা ছবি দেখে নিন একঝলকে

বৈঠকে আমন্ত্রিত যাঁরা
বৈঠকে থাকার কথা রয়েছে ৪১ জনের। সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রথমে ৩৭ জনকে ডাকা হয়েছিল। পরে দার্জিলিং-এর সাংসদ রাজু বিস্তা, বিষ্ণুপুরের সৌমিত্র খাঁন, প্রাক্তন আইপিএস ভারতী ঘোষ এবং মালদহের নেত্রী মেহফুজা খাতুনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে দলের ১৮ জন সাংসদের সবাই এই তালিকায় নেই। আছেন সবমিলিয়ে সাতজন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে উপস্থিত কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন এবং শিবপ্রকাশ।

বৈঠকের কারণ
সূত্রের কারণ, কোনও কারণে যদি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন এগিয়ে আনা হয়, সেই কারণেই আগেভাগে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের রূপরেখা এই বৈঠকে তৈরি হবে বলে বিজেপি সূত্রে খবর।

যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা
২০২১-এর নির্বাচন কার নেতৃত্বে হবে, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে এই বৈঠকে। একদিকে মুকুল রায় ২০১৯-এর নির্বাচনে নিজেকে প্রমাণ করে দিয়েছেন দক্ষ সংগঠক হিসেবে। আবার ভোটের পর বদবদল নিয়ে তিনি খানিকটা পিছিয়েও পড়েছে। মণিরুল ইসলামের মতো তৃণমূল বিধায়ককে তিনি বিজেপিতে যোগদান করানোয় অনেকেই অসন্তুষ্ট। পাশাপাশি লোকসভা নির্বাচনে পর পঞ্চায়েত থেকে পুরসভায় তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের দলবদলের ঢেউ লেগেছিল। পরবর্তী সময়ে তাঁদের অনেকেই ফের তৃণমূলে ফিরে গিয়েছেন। সবাই কি ভয়ে বিজেপিতে এসেছিলে, আবার কি ভয়েই তৃণমূলে ফিরলেন, সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে। এব্যাপারে যে সংগঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।












Click it and Unblock the Notifications