অভিষেক পদ ছাড়তেও রাজি যোগ্য হাতে! মিশন একুশের লড়াইয়ে বাড়ালেন জল্পনা
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির মোকাবিলায় যুবশক্তিকে বাড়িয়ে নিতে প্রশান্ত কিশোরের কৌশল মতো কাজ করছে অভিষেক।
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির মোকাবিলায় যুবশক্তিকে বাড়িয়ে নিতে প্রশান্ত কিশোরের কৌশল মতো কাজ করছে অভিষেক। সেই কৌশলের অঙ্গ হিসেবে বাংলার যুবশক্তি কর্মসূচিতে প্রভূত সাফল্য মিলেছে। এক লক্ষের জায়গায় পাঁচ লক্ষ যুবযোদ্ধাকে পাশে পেয়ে গিয়েছেন অভিষেক। এবার তিনি দিলেন আর এক মস্ত চাল।

যোগ্যদের মর্যাদা দিতে পদ ছাড়তেও রাজি অভিষেক
আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূলকে লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে নীরবে কাজ করে চলেছেন তৃণমূলের যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তিনি তাঁর পদ নিয়েও এক মোক্ষম বার্তা দিলেন। স্পষ্টতই বলে দিলেন যোগ্যদের মর্যাদা দিতে পদ ছাড়তেও তিনি রাজি। তাঁর পদ ছাড়তে তাঁর বিন্দুমাত্র দ্বিধা নেই। যোগ্যদের খুঁজে স্বীকৃতি দেওয়াই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য।

নেতৃত্বের দুয়ার খুলে দিলেন অভিষেক
বিধানসভা নির্বাচনের আগে অভিষেক এই বার্তায় এক ঢিলে অনেক পাখি মারতে চাইলেন। প্রথমত তিনি তাঁর যুবনেতাদের উদ্বুদ্ধ করতে নেতৃত্বের দুয়ার খুলে দিলেন। আর পদ নিয়ে যে তাঁর কোনও লিপ্সা নেই তাও বুঝিয়ে দিলেন। প্রয়োজনে যোগ্যতর ব্যক্তির হাতে তিনি নেতৃত্ব তুলে দিতে তিনি দুবার ভাববেন না।

শুভেন্দুর সঙ্গে দূরত্ব ঘোচাতেই বার্তা!
তৃণমূলে অভিষেকের সঙ্গে শুভেন্দুর একটা দূরত্ব সবসময়ই তৈরি হয়ে আছে। শুভেন্দুকে যুব তৃণমূলের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে তৃণমূলের মেন স্ট্রিমে আনার পর থেকেই অভিষেকের সঙ্গে একটা দূরত্ব তৈরি হয়ে আছে। যদিও উভয়েই তা মানতে নারাজ। এমনকী তাঁরা যে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াইয়ে প্রস্তুত এমন বার্তাও দিয়েছে।

পদ ছাড়ার বার্তায় এক মোক্ষম চাল
এবার অভিষেক পদ ছাড়ার বার্তায় এক মোক্ষম চাল দিলেন। বুঝিয়ে দিতে চাইলেন পদ বড় নয়, তৃণমূলকে জিতিয়ে আনাই বড়। সেজন্য যোগ্যতর ব্যক্তিকে পদ দিতে তিনি আগ্রহী। অভিষেক চাইছেন আগামী প্রজন্মের মধ্যে নেতৃত্ব স্পৃহা তৈরি করতে। যুবসমাজকে তৃণমূলের প্রতি আকৃষ্ট করতে তিনি এই বার্তা দিয়েছেন।

বাংলার তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান
ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের পরামর্শ মেনে তিনি ২০২১-এর প্রাক্কালে রাজ্যজুড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যুবশক্তির আহ্বান করেছেন। চলছে নয়া কর্মসূচি ‘বাংলার যুবশক্তি'। বাংলার তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করে নিচ্ছেন তিনি। এই কর্মসূচিতে বিশাল সাড়া মিলতে শুরু করেছে।।

বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যাপক সাড়া
অভিষেক বলেন, আমরা এক লক্ষ যুবককে এই অভিযানে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছিলাম এই অভিযানে। কিন্তু বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। এখন এই সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ লক্ষেরও বেশি। এই পাঁচ লক্ষ যুবক-যুবতী কর্মসূচিতে স্বেচ্ছায় অংশ নিয়েছেন।

প্রত্যেককে কাজের স্বাধীনতা একুশের আগে
তৃণমূল সাংসদ স্থির করে দিয়েছেন ৫ লক্ষ যুব যোদ্ধার ভূমিকা। প্রত্যেকের প্রধান ভূমিকা হবে অন্তত ১০ দরিদ্র পরিবারকে চিহ্নিত করা এবং তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করা এবং তাঁদের পাশে দাঁড়ানো। প্রতিটি যুব যোদ্ধা রাজ্যজুড়ে ১০টি পরিবারের যত্ন নেবেন। তাঁদের ইচ্ছা অনুযায়ী ১০টি পরিবারের তালিকা তৈরি করার এবং তাঁদের কাজ শুরু করার স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications