অভিষেকের নিশানায় ফের কংগ্রেস! ঘরে বসে ফেসবুক-টুইটারের রাজনীতি, বিস্ফোরক তৃণমূল নেতা
অভিষেকের নিশানায় ফের কংগ্রেস! ঘরে বসে ফেসবুক-টুইটারের রাজনীতি, বিস্ফোরক তৃণমূল নেতা
দলীয় মুখপত্র জাগো বাংলায় কংগ্রেসকে পচাডোবা বলে কটাক্ষের পরে এবার কংগ্রেসকে ঘরে বসা ফেসবুক-টুইটারের রাজনীতি করা দল বলে কটাক্ষ করলেন, তৃণমূলের (Trinamool Congress) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) । এদিন তিনি বলে তৃণমূলকে ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখা যাবে না।

কংগ্রেসের সঙ্গে সরাসরি লড়াই নেই
এদিন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনো ফেলেইরোর তৃণমূলের যোগদানের অনুষ্ঠানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে প্রশ্ন রাখা হয়, কংগ্রেসকে দুর্বল করেই তো তৃণমূল এগিয়ে যেতে চাইছে। এব্যাপারে অভিষেক বলেন, তাদের সঙ্গে কংগ্রেসের সরাসরি কোনও লড়াই নেই। যদি কেউ বাড়িতে বসে ফেসবুক-টুইটারে রাজনীতি করে তাহলে কিছু করার নেই। তৃণমূল মাঠে নেমে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করে, তা তারা দেখিয়ে দিয়েছে। দিন কয়েক আগে সামসেরগঞ্জে প্রচারে গিয়ে অভিষেক বলেছিলেন, বিজেপিকে হারাতে পারে একমাত্র তৃণমূলই। তা তারা এই বঙ্গে দেখিয়ে দিয়েছে।

ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখা যাবে না
প্রসঙ্গত দিল্লিতে ইডির দফতের জিজ্ঞাসাবাদের পরে বেরিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ইডি সিবিআই-এর ভয় পায় কংগ্রেস। ভয় দেখিয়ে তৃণমূলকে দমিয়ে রাখা যাবে না। এদিনও ফের একবার সেই মন্তব্য করেছেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ঘটনার কথা উল্লেখ করে অভিষেক দাবি করেছেন, যেখানে কংগ্রেসকে রাস্তায় দেখা যায়নি, সেখানে তৃণমূল রাস্তায় নেমেছে।

আসল কংগ্রেস তৃণমূলই
তৃণমূল দাবি করছে আসল কংগ্রেস তারাই। বাংলার কথা উল্লেখ করে তৃণমূল বলেছে, অনেক সুযোগ পেয়ে কংগ্রেস সিপিএমকে হারাতে না পারায় তৃণমূলের জন্ম। তারাই সিপিএমকে সরিয়েছে। তৃণমূল বলেছে, মানুষের আশীর্বাদেই তৃণমূল আজ সরকারে, আর কংগ্রেস সেখানে শূন্য। কংগ্রেসকে ব্যর্থ ও দিশাহীন বলে মন্তব্য করেছে তৃণমূল। যে কারণেই উত্তরপ্রদেশ-সহ বিভিন্ন রাজ্যে কংগ্রেস ব্যর্থ বলে মন্তব্য করা হয়েছে। একইসঙ্গে তৃণমূলের তরফে বলা হয়েছে, কংগ্রেসের ইতিহাস আর ঐতিহ্যে তৃণমূলও গর্বিত। ইন্দিরা গান্ধী আর রাজীব গান্ধীর নামে তৃণমূলও আবেগাপ্লুত। কিন্তু মানুষ যেখানে বিজেপির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক লড়াই চাইছে, সেখানে তারা ব্যর্থ।
এদিন তিনি বলেছেন, গত সাতবছর ধরে কংগ্রেস খালি হারছে, আর তৃণমূল জিতে চলেছে।

ইডির দফতরের যাওয়ার পরেই বদলেছে ছবি
এদিকে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করে ১৯ দলের জোট করতে চেয়েছিলেন, সেই তৃণমূলের কংগ্রেসের প্রতি আচরণে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। কংগ্রেসের অনেকেই কটাক্ষ করে বলছেন, ইডি দফতরে যাওয়ার আগে একরকম আর ইডি দফতর থেকে বেরিয়েই অন্যরকম পরিস্থিতি। কেন এই ছবি বদল, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে কংগ্রেসীদের মধ্যে। বিজেপির থেকে সুপারি নিয়ে ক্ষতম করার চক্রান্ত চলেছে বলেও অভিযোগ কংগ্রেসের।












Click it and Unblock the Notifications