Abhishek Banerjee: ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা চাইতে হবে, সন্দেশখালির নেপথ্যে কার পরিকল্পনা? তীব্র নিশানা অভিষেকের
সন্দেশখালির ঘটনা যে বাংলাকে কালিমালিপ্ত করতে বিজেপির চক্রান্ত সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। বাংলার মানুষকে অপমান করা হচ্ছে। সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও-তে শুভেন্দু অধিকারীর নাম করেছে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি। ২০০০ টাকা নিয়ে অভিযোগ করেছেন বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র। সাংবাদিক বৈঠকে একের পর এক নিশানা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি অভিযোগ করেছেন ২০০০ টাকার বিনিময়ে বাংলার মা-বোনেেদর সম্মান বিক্রি করে দিচ্ছে। বাংলাকে কালিমালিপ্ত করছে বিজেপি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল সকালে বলছেন এই ভিডিওতে তিনি রয়েছেন। আবার বিকেলে বলছেন এটা তাঁর গলা নয়। এর থেকে বোঝা যায় কোথায় গলদ রয়েছে।

এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে অভিযোগ করেছেন, সন্দেশখালিতে যে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল সেগুলো রেখে আসা হয়েছিল। ভিডিওতে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে সেই ঘটনা। অথচ সিবিআই পাঠিয়ে এনএসজি নামিয়ে রোবর্ট নামিয়ে কত কি করা হল। সবটাই পরিকল্পনা। সন্দেশখালি পুরোটাই বিজেপির পরিকল্পিত বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
জানুয়ারি মাস থেকে সন্দেশখালি নিয়ে তোলপাড় হয়েছে গোটা রাজ্যে। দিল্লি থেকে বিজেপির নেতারা এসে সন্দেশখালি নিয়ে সরব হয়েছে। বারাসতে সভা করে প্রধানমন্ত্রী মোদী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের সঙ্গে রেখা পাত্রর তুলনা করেছিলেন। সেই রেখা পাত্র ২০০০ টাকা নিয়ে মিথ্যে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ভিডিওতে বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়ালের মুখে সেটা শোনা গিয়েছে।
বাংলার মা-বোনেদের অপমান করা হচ্ছে। এজন্যই আমরা বলি বিজেপি বাংলার ভাল চায় না। বাংলাকে ছোট করার চক্রান্ত করা হচ্ছে। ভিডিওতে শোনা গিয়েছে কোনও ধর্ষণ হয়নি। অথচ তিন মাস ধরে সন্দেশখালি নিয়ে যা হয়েছে সেটা বাংলার অপমান করা। বিজেপি নেতাদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা চাইতে হবে বাংলার মানুষের কাছে। এমনই দাবি করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দু অধিকারীর দিকে আঙুল তুলেছেন। কারণ তিনি দাবি করেছেন শুভেন্দু অধিকারীর নাম করেছেন ভিডিওয় থাকা বিজেপি নেতা। এই ভিডিও নির্লজ্জতার সব সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে বলে আক্রমণ শানিয়েছেন অভিষেক। ২০২১ সালের বাংলার মানুষের রায় দিল্লির বিজেপি নেতারা মেনে নিতে পারেনি সেকারণে এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র করেছে তারা। ইডি-সিবিআই দেখিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। এমনকী এদিন রাজ্যপালকেও নিশানা করতে ছা়ড়েননি তিনি। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেছেন রাজভবনের এক মহিলা কর্মী। যদিও রাজ্যপালের দাবি পুরোটাই রাজনৈতিক চক্রান্ত। তাঁকে কালিমালিপ্ত করে নির্বাচনী ফায়দা তোলার চেষ্টা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications