অভিষেকের মাস্টারস্ট্রোক ‘কল্পতরু’ প্রকল্পে! মুখে হাসি ফোটানোর উদ্যোগ এই লকডাউনে
এখন করোনা মোকাবিলাই একমাত্র লক্ষ্য প্রতিটি মানুষেরই। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কাছেও করোনা মোকাবিলা ছাড়া দ্বিতীয় কোনও ইস্যু নেই। আর এই সময়ে করোনা মোকাবিলায় দেশজুড়ে চলছে লকডাউন।
এখন করোনা মোকাবিলাই একমাত্র লক্ষ্য প্রতিটি মানুষেরই। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কাছেও করোনা মোকাবিলা ছাড়া দ্বিতীয় কোনও ইস্যু নেই। আর এই সময়ে করোনা মোকাবিলায় দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। দেশের খেটেখাওয়া মানুষের মাথায় হাত পড়েছে। খাবার-দাবারের জোগাড় নেই, নেই কাজ। কী হবে? অন্য অনেকের মতো এগিয়ে এলেন অভিষেক।

প্রকল্পের নাম ‘কল্পতরু'
তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়াতে নিজের সাংসদ এলাকায় এক নয়া প্রকল্পের সূচনা করলেন। সেই প্রকল্পের নাম দিয়েছেন কল্পতরু। এই কল্পতরু প্রকল্পে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ২১টি কমিউনিটি কিচেন তৈরি চালু করছেন। ১২ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে এই প্রকল্প।

২১টি কমিউনিটি কিচেন তৈরি
এই ২১টি কমিউনিটি কিচেনে ৪০ হাজার মানুষের জন্য খাবার তৈরি করা হবে। ১২ দিনের প্রকল্প। অর্থাৎ ১২ এপ্রিল থেকে ১২ দিন ধরে মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে এই খাবার। ৯ এপ্রিল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার থেকে ওই খাবারের জন্য আবেদন করতে পারবেন ডায়মন্ড হারবারের গরিব মানুষেরা। আবেদনের জন্য নম্বরও দিয়েছেন তিনি।

ফোন করলেই বাড়িতে খাবার
অভিষেক জানিয়েছেন প্রত্যেকে ০৩৩-৪০৮৭৬২৬২ নম্বরে ফোন করা যাবে। এই নম্বর জানিয়ে অভিষেক বলেন, যতদিন আমি আছি, ততদিন অনাহারে কেউ মারা যাবেন না। ওই নম্বর জানিয়ে অভিষেক বলেন, ফোন করলেই স্বেচ্ছাসেবকরা বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেবেন। কাউকে বাড়ির বাইরে বেরনোর প্রয়োজন নেই।

ফেসবুক লাইভে বার্তা অভিষেকের
মঙ্গলবার এক ফেসবুক লাইভে তিনি বলেন, বর্তমানে আমরা এমন এক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি যে কারও কিছু করার নেই। কী হবে না হবে, সবকিছুই ঈশ্বরের হাতে। এই মহামারী অনেকের প্রাণ কেড়েছে। অনেকে আক্রান্ত। কিন্তু আতঙ্কে ভুগলে চলবে না। একমাত্র সচেতনতাই আমাদের জীবন বাঁচাতে পারে।

মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে
অভিষেক এই ফেসবুক লাইভেই বার্তা দেন, ডায়মন্ড হারবারের প্রত্যেকেই আমার পরিবারের মতো। এই সংসদীয় ক্ষেত্রের ১৮ লক্ষ মানুষের জন্য কিছু করা আমার কর্তব্য। কিন্তু পরিস্থিতি যা মাঠে নেমে কাজ করা যাচ্ছে না। থালা বাজিয়ে, মোমবাতি জ্বালিয়ে মানুষের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব নয়। কিন্তু গরিব মানুষের হাতে এই কঠিন সময়ে খাবার তুলে দিলে হাসি ফুটতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications