মুকুলের পর অভিষেকের নিশানায় বিজেপির এক মন্ত্রী, ফের যুদ্ধ আদালতে
এবার আইনি নোটিশ ধরানো হল বাবুল সুপ্রিয়কে। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মন্তব্য প্রত্যাহার করার পাশাপাশি প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে বলা হয়েছে নোটিশে। নইলে মানহানির মামলা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অভিষেক।
বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ফের আদালতের দরজায় টোকা মারলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আবারও মানহানির মামলার হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। মুকুল রায়ের পর এবার তাঁর নিশানায় কেন্দ্রীয়মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। বাবুলকে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার নোটিশ ধরিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

বাবুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি গত ৩০ নভেম্বর অভিষেকের নামে আর্থিক দুর্নীতি সংক্রান্ত নানা মন্তব্য করেছিলেন। তাতে অভিষেকের মানহানি হয়েছে বলে দাবি। সেই কারণেই আইনি নোটিশ ধরানো হল বাবুল সুপ্রিয়কে। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মন্তব্য প্রত্যাহার করার পাশাপাশি প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে বলা হয়েছে নোটিশে। নইলে মানহানির মামলা করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
বাবুল সুপ্রিয় এই নোটিশ পাওয়ার পর জানিয়েছেন, মন্তব্য প্রত্যাহার করার কোনও প্রশ্নই নেই। প্রশ্ন নেই ক্ষমা চাওয়ারও। কারণ আমার বক্তব্যে আমি অবিচল। মামলা লড়ার জন্য আমি প্রস্তুত। এই আইনি লড়াইকে তিনি স্বাগত জানিয়ে বলেন, আইনের ময়দানে যখন লড়াই হবে, তখন তাঁর আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তির হিসেবও দাবি করব। আর অভিষেককে তা জানাতেও হবে।
সম্প্রতি মুকুল রায় বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরই অভিষেকের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ করেছিলেন। সেই লড়াইও গড়িয়েছে আদালতে। এবার বাবুল সুপ্রিয় বিরুদ্ধে লড়াইও গড়াল আইনি পথে। অভিষেক তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের আইনি পথে মোকাবিলা করাতেই স্বচ্ছন্দবোধ করছেন।
এদিকে অভিষেকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠে আসছে। সেই সমস্ত অভিযোগের রাজনৈতিক কোনও জবাব মিলছে না। পঞ্চায়েত ভোটের আগে স্বভাবতই চাপ তৈরি হচ্ছে তৃণমূল কর্মীদের মনে। নিচুতলার নেতা-কর্মীরা দাবি তুলছেন, কেন সামনে থেকে এইসব অভিযোগের মোকাবিলা করা হচ্ছে না।












Click it and Unblock the Notifications