ডাকেও সাড়া দেননি আবদুল করিম, প্রবীণ বিধায়ককে নিয়ে কী বার্তা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
বিদ্রোহী বিধায়ক আবদুল করিম চৌধুরীর। সাংগঠনিক বৈঠকেও দেখা গেল না তাঁতে। বিদ্রোহী বিধায়ককে নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠক থেকেই বিধায়ককে বার্তা দিয়েছেন তিনি। তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড বলেছেন আবদুল করিমের সঙ্গে সমস্যা মিটিয়ে নিন।
কানাইয়ালাল আগরওয়ালের সঙ্গে যে আবদুল করিম চৌধুরীর একটা ঠান্ডা লড়াই রয়েছে সেটা আর বুঝতে বাকি নেই অভিষেকের। চোপড়ার জনসভায় আমন্ত্রণ না পেয়ে যেভাবে প্রকাশ্যেই ফুঁসে উঠেছিলেন বিধায়ক আবদুল করিম চৌধুরী। তাতে দলের চাপ বেড়েছে ঠিকই। তবে সেই অভিমান যে সাংগঠনিক বৈঠকেও থাকবে সেটা অনেকের কাছেই আশাজনক ছিল না।

বিশেষ করে অভিষেক নিজে যখন আমন্ত্রণ পাঠিয়েছিলেন। আবদুল করিম চৌধুরী সহ ২৫ জন বিধায়ককে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ইসলামপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংগঠনিক বৈঠকে। সেই বৈঠকে কিন্তু উপস্থিত ছিলেন না আবদুল করিম চৌধুরী। অথচ তিনি বলেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিতে এলে তবেই যাবেন। কিন্তু অভিষের বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকেও সাড়া দেননি বিধুব্ধ বিধায়ক।
সবটাই কানে িগয়েছিল সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাই সাংগঠনিক বৈঠকের মঞ্চ থেকেই আবদুল করিম চৌধুরীকে নিয়ে বার্তা দেন তিনি। তিনি স্থানীয় দলীয় নেতৃত্বকে কড়া নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, আব্দুল করিম চৌধুরীর সঙ্গে সমস্যা মিটিয়ে নিন৷ প্রয়োজনে কানাইহালাল আগরওয়াল নিজে যান করিমের কাছে৷ কথা বলুন।'
কানাহাইয়া লাল আগরওয়ালের সঙ্গে আবদুল করিম চৌধুরীর এই বিবাদ পঞ্চায়েত ভোটে প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কয়েকদিন আগেও আবদুল করিম চৌধুরীর অনুগামীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছিল। এই নিয়ে ইসলাম পুরে দলের অন্দরেই অশান্তি প্রকাশ্যে এসেছিল।

মঙ্গলবারের সাংগঠনিক সভা থেকে কালিয়াগঞ্জ নিয়েও বার্তা দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কালিয়াগঞঢ্জে থানা জ্বালিয়ে দেওয়া সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের প্রতিবাদে সভা করবে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি কী ভাবে চক্রান্ত করছে তা ছোট ছোট সভা করে স্থানীয় বাসিন্দাদের বোঝাতে হবে। উত্তর দিনাজপুরের নেতাদের কালিয়াগঞ্জে গিয়ে একাধিক কর্মসূচি করার বার্তা দিয়েছেন।
অভিষেকের নবজোয়ার যাত্রার শুরুর দিন থেকেই অশান্ত হয়ে উঠেছিল কালিয়াগঞ্জ। নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার প্রতিবাদে রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষ বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় কালিয়াগঞ্জ থানা। একাধিক গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। পুরোটাই দিল্লির চক্রান্ত বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। থানায় যাঁরা আগুন ধরিয়ে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করেছে তাঁদের রেয়াত করা হবে না বলে বার্তা দিয়েিছলেন তিনি। তার পরের দিনই কালিয়াগঞ্জের রাধিকাপুরে পুলিশের গুলিতে খুন হন বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যের ভাইপো। আরও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়।












Click it and Unblock the Notifications