একুশের লক্ষ্যে নতুন টার্গেট ফিক্সড অভিষেকের ‘ডেপুটি’র, জোয়ার বাংলার যুবশক্তিতে
একুশের লক্ষ্যে নতুন টার্গেট ফিক্সড অভিষেকের ‘ডেপুটি’র, জোয়ার বাংলার যুবশক্তিতে
একুশের লক্ষ্যে নতুন টার্গেট ফিক্সড করে ফেলল তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে রদবদল সাঙ্গ হতেই যুব তৃণমূলের নতুন সহ সভাপতি ঘোষণা করে দিলেন, বাংলায় যুব শক্তিকে খুব শীঘ্রই ১০ লক্ষ যুবযোদ্ধাকে সামিল করা হবে। আসন নির্বাচনে বাংলার এই যুবশক্তির জোরই তৃণমূলকে ফের ক্ষমতায় ফেরাবে বলে বিশ্বাস।

১০ লক্ষ যুবযোদ্ধাকে সামিল করা লক্ষ্যমাত্রা
সম্প্রতি বাংলার যুবশক্তির কো-অর্ডিনেটর করা হয়েছে যুব তৃণমূলের সহ সভাপতি টলিউড অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীকে। তিনি জানিয়েছেন খুব শীঘ্রই বাংলার যুবশক্তিতে আরও জোয়ার আসবে। পাঁচ লক্ষ ছাড়িয়ে ১০ লক্ষ যুবযোদ্ধাকে সামিল করা হবে ‘বাংলার যুবশক্তি' কর্মসূচিতে। এই কর্মসূচিই আলোকময় করে তুলবে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ পথকে।

ইতিমধ্যে পাঁচ লক্ষ যুবযোদ্ধার সাড়া মিলেছে
যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মাত্র এক লক্ষ যুবযোদ্ধার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছিলেন এই ‘বাংলার যুবশক্তি' অভিযানে। জুন মাসে যাত্রা শুরু করে এই অভিযানে এখন পর্যন্ত পাঁচ লক্ষ যুবযোদ্ধার সাড়া মিলেছে। এই অভূতপূর্ব সাড়া পেয়ে অভিভূত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কৃতজ্ঞতাজ্ঞাপন করেছিলেন এবং এই যুবযোদ্ধাদের দায়িত্ব বণ্টন করেছিলেন।

বাংলার যুবশক্তির লক্ষ্যমাত্রা বাড়ালেন নতুন কো-অর্ডিনেটর
এবার ‘বাংলার যুবশক্তি'র সাড়ায় উজ্জীবিত হয়ে নতুন কো-অর্ডিনেটর লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে দিলেন দ্বিগুণ। অর্থাৎ এবার ১০ লক্ষ যুবযোদ্ধাকে বাংলার বিশেষ কর্মূচিতে সামিল করার টার্গেট রাখলেন। ১৮ থেকে ৪৫ বছরের বয়সীরা এই কর্মসূচিতে সামিল হবেন। বাংলার মানুষের মধ্যা বাংলার যুবশক্তি নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গিয়েছে।

বাংলার ৩৩১টি ব্লক ও ২৩০টি শহরে সাড়া
অভিষেক জানিয়েছিলেন, আমরা এক লক্ষ যুবককে এই অভিযানে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছিলাম এই অভিযানে। কিন্তু বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। এখন এই সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ লক্ষেরও বেশি। এই পাঁচ লক্ষ যুবক-যুবতী কর্মসূচিতে স্বেচ্ছায় অংশ নিয়েছেন। বাংলার ৩৩১টি ব্লক ও ২৩০টি শহরজুড়ে এই কর্মসূচিতে নাম লেখাচ্ছেন।

প্রতিটি যুবযোদ্ধা রাজ্যের ১০টি পরিবারের যত্নে
তৃণমূল সাংসদ স্থির করে দিয়েছিলেন ওই ৫ লক্ষ যুব যোদ্ধার ভূমিকা। প্রত্যেকের প্রধান ভূমিকা হবে অন্তত ১০ দরিদ্র পরিবারকে চিহ্নিত করা এবং তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করা এবং তাঁদের পাশে দাঁড়ানো। প্রতিটি যুব যোদ্ধা রাজ্যজুড়ে ১০টি পরিবারের যত্ন নেবেন। তাঁদের ইচ্ছা অনুযায়ী ১০টি পরিবারের তালিকা তৈরি করার এবং তাঁদের কাজ শুরু করার স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। আর সোহল এক ধাক্কায় এই লক্ষমাত্রা বাড়িয়ে বাংলার যুব সমাজের কাছে ছড়িয়ে দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন।












Click it and Unblock the Notifications