ফের অস্বস্তি বাড়ল ঘাসফুলের! অভিষেক-রুজিরার আবেদন নাকচ করল হাইকোর্ট
ফের একবার তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরার অস্বস্তি বাড়ল দিল্লি আদালতে। কয়লা কেলেঙ্কারিতে জিজ্ঞাসাবাদ কোনও ভাবেই এড়াতে পারছেন না তাঁরা। আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও রুজিরাক
ফের একবার তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরার অস্বস্তি বাড়ল দিল্লি আদালতে। কয়লা কেলেঙ্কারিতে জিজ্ঞাসাবাদ কোনও ভাবেই এড়াতে পারছেন না তাঁরা। আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও রুজিরাকে তলব করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-র তরফে।

আর সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ ও তাঁর স্ত্রী। শুক্রবার সেই আবেদন খারিজ হয়ে গেল হাইকোর্টের। বিচারপতি রজনীশ ভাটনগরের বেঞ্চে ছিল সেই মামলার শুনানি।
রুজিরার হয়ে সওয়াল করছেন আইনজীবী কপিল সিবাল। ইডির পক্ষে হাইকোর্টে সওয়াল করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।
ইডির দিল্লির অফিসে ডেকে পাঠানো হয়েছিল অভিষেক ও রুজিরাকে। গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর অভিষেক ও রুজিরাকে তলব করেছিল ইডি। সেই সময়েও চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ ও তাঁর স্ত্রী। কলকাতায় না ডেকে ইডির দিল্লির অফিসে কেন তাঁদের ডাকা হচ্ছে, সেটাই ছিল তাঁদের প্রশ্ন। সেই আবেদনও খারিজ হয়ে গিয়েছিল আদালতে।
ইডির তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, ইডির তদন্তের এক্তিয়ার কোনও নির্দিষ্ট রাজ্য বা থানার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার কথা নয়। অন্যদিকে কপিল সিবলের যুক্তি, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে আবেদনকারীদের রাজধানীতে তলব করার ক্ষমতা দেওয়া নেই। আর্থিক তছরূপের মামলার ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের দিল্লিতে তলব করার ক্ষমতা নেই ইডি-র। বরং তদন্তকারী সংস্থাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে কলকাতায় আসা উচিৎ বলে দাবি করেছেন সিবল।
গত বছর জিজ্ঞাসাবাদ করতে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিল সিবিআই। রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অন্তত সোয়া এক ঘণ্টা ধরে। তারপর অভিষেকের বাড়ি থেকে বের হয় সিবিআই। অভিষেক-পত্নীর বয়ানও রেকর্ড করা হয়েছিল সে বার। রুজিরা সিবিআইয়ের সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিল বলেই জানা গিয়েছে। সিবিআইয়ের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করা হয়েছে বলেও দাবি করেছিলেন তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications