পাহাড় রাজনীতিতে নয়া সমীকরণ! অভিষেকের সঙ্গে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বৈঠকে জল্পনা
বাংলায় সার্বিকভাবে বিজেপির ভরাডুবি হলেও উত্তরবঙ্গে অপেক্ষাকৃত ভালো ফল করেছে তারা। বিশেষ করে পাহাড়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায় কোন্দলের সুযোগ নিয়ে বিজেপি জয়যুক্ত হয়েছে।
বাংলায় সার্বিকভাবে বিজেপির ভরাডুবি হলেও উত্তরবঙ্গে অপেক্ষাকৃত ভালো ফল করেছে তারা। বিশেষ করে পাহাড়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায় কোন্দলের সুযোগ নিয়ে বিজেপি জয়যুক্ত হয়েছে। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিমল গুরুং গোষ্ঠী ও বিনয় তামাং গোষ্ঠীর সম্মুখ সমরের ফায়দা লুটেছে বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে পাহাড় রাজনীতিতে গুরুত্ব ফেরাতে আসরে নামল তৃণমূল।

পাহাড়ে বৈঠক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের
এবার বিধানসভা নির্বাচনের আগে পাহাড়ে বিমল গুরুং ও বিনয় তামাং উভয়েই তৃণমূলের দিকে সমর্থনের হাত বাড়িয়েছিল। কিন্তু উভয়ে এক হতে না পারায় শেষ হাসি হেসেছে বিজেপি। তৃণমূল উভয়ের সমর্থন পেয়েও কাজের কাজ কিছু করতে পারেনি। তাই এবার পাহাড়া রাজনীতিকে অন্য মাত্রা দিতে পাহাড়ে বৈঠক করে গেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

পাহাড়ে গিয়ে মোর্চা নেতাদের সঙ্গে বৈঠক
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পাহাড়ে গিয়ে মোর্চা নেতা বিমল গুরুং ঘনিষ্ঠ রোশন গিরির সঙ্গে বৈঠক করেন। সঙ্গে ছিলেন গোর্খা নেতা আর বি ভুজেল, ছিলেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। পাহাড়
সমস্যার স্থায়ী সমাধানের পাশাপাশি জিটিএ নিয়েও কথা হয়। উল্লেখ্য, জিটিএ এখন বিনয় তামাং গোষ্ঠীর দিকে।

মোদীকে চিঠি দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
এবার বিধানসভায় পাহাড়ের তিন কেন্দ্রের মধ্যে একটিতে জয়ী হয় বিনয় তামাং গোষ্ঠী, অন্য দুটি যায় বিজেপিকর দখলে। বিজেপি বিধায়ক তথা জিএনএলএফ নেতা নীরজ জিম্বা মোদীকে চিঠি দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পাহাড় কোনও মন্ত্রিত্ব পায়নি. তারপর বিজেপির দেওয়া প্রতিশ্রুতি মতো সমস্যার সমাধানের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

বিজেপি ও তৃণমূল পাহাড় রাজনীতিতে
বিজেপি আবার তরাই-ডুয়ার্স থেকে জন বার্লাকে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী করে নতুন রাজনৈতিক কৌশল নিয়েছে। আর তৃণমূল চাইছে বিমল গুরুং ও বিনয় তামাংদের এক জায়গায় এনে পাহাড়ে নিজেদের প্রতিপত্তি বাড়াতে। মোট কথা বিজেপি ও তৃণমূল পাহাড়ে রাজনীতিতে নিজেদের প্রাসঙ্গিক করে তোলার চেষ্টা করছে।












Click it and Unblock the Notifications