ভিন রাজ্যে কোন নীতিতে লড়বে তৃণমূল, ২০২৪-র লড়াইয়ের দামামা বাজিয়ে দিলেন অভিষেক
ভিন রাজ্যে কোন নীতিতে লড়বে তৃণমূল, ২০২৪-র লড়াইয়ের দামামা বাজিয়ে দিলেন অভিষেক
মিশন ২০২৪। ভিন রাজ্যে সংগঠন বিস্তারের নীতি ঘোষণা করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবারেই এই পদে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। তারপরে প্রথম সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে প্রথম সাংবাদিক বৈঠক করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এক প্রকার ২০২৪-র লোকসভা ভোটের দামামা বাজিয়ে দিলেন তিনি।

নতুন ভূমিকায় অভিষেক
একুশের ভোটের সাফল্যের নেপথ্যে বড় ভূমিকায় ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত শনিবার তাঁকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনিত করা হয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জায়গায় সায়নী ঘোষকে তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি পদে বসানো হয়। শনিবার সাংগঠনিক বৈঠকেই ২০২৪-এর বার্তা দিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে বসিয়ে ২০২৪-র লড়াই শক্তিশালী করার বার্তা দেন মমতা

প্রথম সাংবাদিক বৈঠক
সোমবার প্রথম সাংবাদিক বৈঠক করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুকুল রায়ের পর এই পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সুব্রত বক্সিকে। আক্ষরিক অর্থে মুকুলের পর এই পদে পূর্ণরূপে অভিষেককেই দায়িত্ব দিলেন মমতা। সাংবাদিক বৈঠকে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গেই তিনি একের পর এক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর দিেয়ছেন।

মিশন ২০২৪
একুশ জয় হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের। এবার টার্গেট ২০২৪। সেই লক্ষ্য পূরণে এগোচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক একের পর এক প্রশ্নের উত্তরে সর্বভারতীয় স্তরে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন গোটা দেশে দলকে ছড়িয়ে দেওয়া সহজ কাজ নয়। কিন্তু দ্রুত এবং অত্যন্ত কৌশলে সেটা করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। কোন কোন রাজ্যে সংগঠনের বিস্তার ঘটানো হবে তার চিন্তাভাবনা শুরু হয়ে গিয়েছে ১ মাসের মধ্যে এই নিয়ে ফের সাংবাদিক বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন অভিষেক। তাঁর এই বক্তব্যেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে এবার ২০২৪-কে টার্গেট করে ঝাঁপাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। সর্বভারতীয় স্তরে দলকে শক্তিশালী করতে তৎপর তিনি।

রাজ্য জয়ের জন্যই লড়বে তৃণমূল
এর আগে ত্রিপুরা, অসমে তৃণমূল কংগ্রেস সংগঠনের বিস্তার ঘটিয়েছিল। কিন্তু সেটা তেমন শক্তপোক্ত হয়নি। কিন্তু অভিষের জাতিয় সম্পাদকের দায়িত্ব নিয়েই যে বার্তা দিয়েছেন তাতে আরও স্পষ্ট হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের রণনীতি। তিনি বলেছেনএবার আর ২-১টি আসনে বিরোধী দলের ভূমিকা পেতে লড়বে না তৃণমূল কংগ্রেস। যে রাজ্যে লড়বে সেই রাজ্যে জয়ের লক্ষ্যেই লড়বে। অর্থাৎ এবার আর শুধু বাংলা নয়। বাংলার সীমা ছাড়িয়ে এগোতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। যেখানে দলের ভূমিকা কী হতে চলেছে তার ইঙ্গিত দিলেন তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য একুশের ভোটের মধ্যেই বারাণসীতে প্রার্থী দেওয়া নিয়ে সরব হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস।












Click it and Unblock the Notifications