দেশকে পথ দেখাবে বাংলা, তৃণমূল প্রতিষ্ঠা দিবসে আগামীর বার্তা অভিষেকের
দেশকে পথ দেখাবে বাংলা, তৃণমূল প্রতিষ্ঠা দিবসে আগামীর বার্তা অভিষেকের
দেশকে পথ দেখাবে বাংলা মডেল। প্রতিষ্ঠা দিবসে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দিলেন ২০২৪-এর। প্রতিষ্ঠা দিবসে তৃণমূলের নতুন ভবনের ভিতপুজোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপিকে প্রচ্ছন্ন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন তিনি।

পঞ্চায়েত ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হবে
অভিষেক জানিয়েছে, বাংলায় আসন্ন পঞ্চায়েত ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হবে। আমি আশা করি আগামীদিনে বিচ্ছিন্নতাবাদ, বৈষম্য, ঘৃণা, সাম্প্রদায়িকতা দূর হবে। বিরোধীরা রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করছে। কিন্ত তার ফল ভালো হবে না। আগামী দিনে তা মিলিয়ে নেবেন।

২০২৩-এর পঞ্চায়েত থেকে ২০২৪ ও ২০২৬-এর চ্যালেঞ্জ
অভিষেক বলেন, ২০২৩-এর পঞ্চায়েত হোক বা ২০২৪-এর লোকসভা কিংবা ২০২৬-এর বিধানসভায় দেখবেন, বিরোধীদের ফল কেমন হয়। বিরোধীরা কুৎসার রাজনীতি করছে, বাংলার মানুষ সেই কুৎসাকে মেনে নেবে না। ছুড়ে ফেলে দেবে বিরোধীদের। বিরোধীরা জনবিচ্ছিন্ন, মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে তা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে বিগত সমস্ত নির্বাচনে, আগামী দিনেও তা হবে।

গোয়ার উদাহারণ দিয়ে ত্রিপুরা-মেঘালয়ের বার্তা
অভিষেকের কাছে ছুড়ে দেওয়া হয়েছিল বাংলার পাশাপাশি ত্রিপুরা-মেঘালয়ের নির্বাচনকে তৃণমূল কী চোখে দেখছে? উত্তরে অভিষেক বলেন, গোয়ায় হয়তো হেরে গিয়েছি, কিন্তু আমরা তিন মাসে ৮ শতাংশ ভোট পেয়েছি। ত্রিপুরাতেও আশানুরূপ ফল হয়নি, কিন্তু তা বলে আমরা পিছিয়ে যাব না।

ভিনরাজ্যের ভোটে হারলেও লক্ষ্যে স্থির অভিষেক
অভিষেক বার্তা দেন, আমরা ভিনরাজ্যের ভোটে হারলেও কীভাবে দলকে আরও শক্তিশালী করা যায়, সেই লক্ষ্য নিয়ে এগোব আমরা। ত্রিপুরা-মেঘালয়ে সর্বশক্তি প্রয়োগ করে আমরা মানুষের কাছে যাব। গণতন্রে র এটাই ঐতিহ্য। আগামী দিনে কীভাবে কাজ করবে তার রূপরেখা তৈরি করে মানুষের কাছে যাবো। তারপর মানুষ সিদ্ধান্ত নেবে।

৪০টি কেন ৪০০টা সভা করুন ওঁরা
বাংলায় পঞ্চায়েত ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ৪০টি সভা করবেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে অভিষেক বলেন, ৪০টি কেন ৪০০টা সভা করুন ওঁরা, বাংলায় স্বাগত সবাইকে। সকলের জন্য বাংলার দ্বার খোলা।

বহিরাগত আসে বহিরাগত যায়, বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়
এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যেই আসুন না কেন মনে রাখতে হবে, বহিরাগত আসে বহিরাগত যায়, বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়। তাই ভারতের যে কোনও রাজনৈতিক দলে বাংলায় আসুন বিস্তারের জন্য, তাঁদের দ্বার খোলা রয়েছে বাংলায়। কেননা এটাই বাংলার সংস্কৃতি।

ভোট এলেই বাংলার কথা মনে পড়ে
এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, ভোট এলেই বাংলার কথা মনে পড়ে এক শ্রেণির রাজনৈতিক দলের। তাঁরা ভোট এলেই বাংলায় আসেন। বাংলায় তাঁরা আসুন, তাঁদের জন্য স্বাগত। কিন্তু বাংলার মানুষ তাঁদের মেনে নেবে না, তাঁদের মনে জায়গা পাবে না ভিনরাজ্য থেকে আসা পরিযায়ীরা।

রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়েই সরকারি মঞ্চে দলের স্লোগান
অভিষেক বলেন, ভুল করেও শেখে না বিজেপি। সরকারি মঞ্চে রাজনৈতিক স্লোগান যাঁরা তোলে, তাঁরা রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া। কোনও সরকারি অনুষ্ঠানে শুনেছেন দলের নামে জয়ধ্বনি। মমতা বন্যো দপাধ্যায়ের মধ্যে তাঁরা হয়তো ঈশ্বরকে দেখতে পান, রামচন্দ্রকে দেখতে পান। কিন্তু মনে রাখবেন জয় শ্রীরাম বললে গ্যাসের দামও ১২০০ থেকে ৫০০ হবে না, আর পেট্রোলের দামও ১১০ টাকা থেকে ৭০ টাকা বা ডিজেলের দাম ১০০ টাকা থেকে ৬০ টাকা হবে না।












Click it and Unblock the Notifications